Aamar Cindrella Aamar Anamika Romantic Photos 2025
ওই আমার Cindrella ❤️👩🎨 তোমার নামের সেই পুরনো বন্ধুটাও তোমার মত কবিতা লিখে আর প্লিজ আবার ইউটিউব ভিডিও বানাও বন্ধু🙏 | Aamar Cindrella ❤️🌹🍫💝 | The Untold Story
ওই আমার Cindrella ❤️👩🎨 তোমার নামের সেই পুরনো বন্ধুটাও তোমার মত কবিতা লিখে আর প্লিজ আবার ইউটিউব ভিডিও বানাও বন্ধু🙏 | Aamar Cindrella ❤️🌹🍫💝 | The Untold Story
সুপ্রভাত আমার মিষ্টি সুন্দর কিউট কষ্ট সহিষ্ণু বন্ধু অ*মিকা,
আমার Bangalore Best Drawing Teacher,
আমার জীবনের Cindrella 👩🎨❤️,
আমার সরস্বতী দেবী,
আমার চোখ বন্ধ করলে দেখতে পাওয়া মিষ্টি বউ একটা,
আমার যে জিবনে হাসি নিয়েছিল, সেই পরী একটা,
আমার Shirley Setia Melody Queen ❤️
ভালো থেকো খুশিতে থেকো সারা দিন,
তোমার মুখের মিষ্টি হাসি যেন সারাদিন থাকে।
তুমি একদিন খুব বড় আর্ট টিচার হও।
ভগবান যেন তোমার হৃদয়ে আমার জন্য একটু ভালোবাসা সঞ্চারিত করে আবার।
ওই জানো গো, তোমাকে এখানে দিনে একবার সুপ্রভাত না জানালে,
যেন সব কিছু খারাপ হয়।
জানিনা কেন কিন্তু কিছু ঠিক হচ্ছেনা।
কাল আজ ৪ টে clients চলে গেল আমার,
জানিনা কেন, রাইটার্স চিটিং করছে,
যাদের কে বিশ্বাস করি তারাও যেন ভুল করছে,
ভাবছি যারা ভুল করেছে তাদের কে রাখবনা আর,
কিন্তু ওরা বলছে একটা সুযোগ দেন,
আমরা আর ভুল করবো না।
তুমিও তো আমাকে একটাও সুযোগ দিলে না,
যদি ও ভুল দুজনের ছিল,
আমি এক বছর ধরে ক্ষমা চাইলাম রোজ রোজ,
কত কটু ভাষা শুনলাম তোমার কাছ থেকে,
কিন্তু তাও ভাবলাম তোমার রাগ অভিমান আছে,
তাই আজ বুঝছো না একদিন বুঝবে নিশ্চই,
সেই আশায় দের বছর আমাদের বন্ধুত্ব টা হয়ে গেল।
তোমার boyfriend আছে,
লেক যাও, ঘুরতে যাও, একসাথে ১-২ দিন বাইরে আনন্দ করো,
সমুদ্রে বিচ এ যাও আনন্দ করো,
কেন তুমি মনে করবে আমাকে আর!
ঘরের বাইরে কোন মেয়ে গেলে,
বিশেষ করে বড় শহরে, যেখানে ওকে দেখার কেউ নেই,
কেউ কিছু বলতে পারবে না।
হুম্ এখন তো ১৮ পার হয়েছে,
সাবালিকা হয়ে গেছ।
এখন তো তোমার মনে হয় ২৬-২৭ বছর বয়েস হবে।
তাই কেউ কিছু বলবে না।
তুমি যা ইচ্ছে করতে পারো।
ভালো বাইরে যেই বা যায়, তারা করে,
আমার একটা বন্ধুও গেছলো,
সেও আনন্দ করে ছিল একসাথে,
কিন্তু এক বছরের মধ্যে বিয়েও করে ফেলেছিল।
জানিনা কোন দিন যদি পড় তো,
আবার পড়ে রাগ করো না,
এটা স্বাভাবিক যারাই Bangalore এ থাকে,
আর তোমার তো মনে হয় Engagement হয়ে গেছে,
তাই হাতে একটা আংটি পরে থাকো,
জানিনা কি সত্যি কি মিথ্যা।
কোন দিনও কোন খারাপ বলিনি,
তুমি যা মর্জি বলে একটা বছর একটা ছেলে কে কষ্ট দিয়েছ।
তুমি একদিন বুঝবে সেদিন তুমিও আমার জন্য মন খারাপ করে কাঁদবে।
খুব কাঁদিয়ে ছ তুমি আমাকে,
কতবার বললাম, ও বন্ধু একটা বাঙালি ছেলের মিথ্যে কথা কে বিশ্বাস করে আর কত দিন কষ্ট দেবে,
কতবার বোঝালাম প্লিজ ক্ষমা করো,
এবারে সব ঠিক করো।
কি লিখছি জানিনা, মন খারাপ হয়ে যায়।
জানো গো সেই বলেছিলাম না,
আমার একটা পুরনো বান্ধবী যে ক্লাস ১০ এ বিয়ে করেছিল,
সে এখন খুব সুন্দর কবিতা লিখে।
মন ছুয়ে যায় কবিতা গুলো পড়লে।
শুনো ওর কিছু কবিতা পোস্ট করলাম এখানে,
ইচ্ছে করে রাগি না,রাগ হয়ে যায়,
আমি বুঝি একটু বেশি অভিমানী,
তাই সবার অন্য মনে হয়,
একটু কিছু চাওয়া, আর না পেলেই-
অভিমানের হাওয়া,
যদি একটু করতেই হয় মাথা নত,
তা বলে কি অভিযোগ শেষ শত শত?
ইচ্ছে তো সবার করে,
রাগ ভাগুক মনের ঘরে,
দুটি হাতে শুধু মুক্তো চাওয়া,
মান-অভিমান শেষে যেন-
স্নিগ্ধতার পরশ পাওয়া,
বর্ষার শেষে ওই শরতের মেঘ ভালো,
আমি যতই হই না অভিমানী,
তাও নিজের মত করে ছড়িয়েছি আলো,
.....অ*মিকা ......
ছোট্ট তো জীবন, একটু কিছু চাওয়া,
অজানার হাতছানিতে নিজেতে হারিয়ে যাওয়া,
মূল্য খুঁজি পৃথিবীর বুকে ছড়িয়ে,
আমার মধ্যে অসীমে রয়েছি জড়িয়ে,
সময়ের অন্তরালে থাকা দৃষ্টি আর-
পিছুটান হয়ে আসে বর্ষার আবেগ,
আষাঢ়-শ্রাবণ মেঘে কত না নেশা,
প্রকৃতির রূপে যেন তৃপ্তি মেশা,
আকাশে রঙিন ছবি আঁকে বিদ্যুতের ঝলক
মেঘের গুরু গুরু ডাক কাঁপিয়ে তোলে পলক,
নীলে কালো মিশে যেই কৃষ্ণ উঁকি দেয়,
আকাশ নতুন ভোর খোঁজে,
চেনা পথে চলে অজানায় পাড়ি দেয়া রোজ,
মন তুই এবার তো একটু বোঝ,
নেই কোন অন্ত,মূল্যটা থাক বাকি,
কেন আর তবে এত আঁকা আঁকি,
শুরু তো অজানা,শেষ টা নাই বা হল জানা,
======
দিনটা ঠিকঠাক রাতটা ফাঁকা,
বৃষ্টি ভেজা দিন শেষে বড্ড বেশী একা,
সবাই আছে সবার মত
জীবন যেমন চলে,
ইচ্ছে গুলো একি আছে
আমি একা বলে।
ঝিঝিদের কিচিরমিচির আর
ব্যাঙেদের ডাক হাঁক,
মেঘলা আকাশে সূর্যাস্ত
পাখিদের ঘুরপাক,
বসন্ত নিয়ে নতুন করে
ফুলের বাগান সেজেছে,
আবির রাঙ নিয়ে দেখ
কৃষ্ণচূড়া এঁকেছে।
...... অ*মিকা
না মন খারাপ নয়, তবুও কারো সাথে কথা বলতে ইচ্ছে করছে না।কারণ, জানিনা।
হয় মাঝে মাঝে, একটু নিজের মধ্যে থাকা, একটু সময় কারণ খুঁজতে,
একটু চোখ বন্ধ করে,সব কিছু ভুলে, শুধু একলা হতে।
সব জানা ভালো না, কিছু না জানা থেকে যাওয়ায় ভালো;
মাঝে মাঝে এরকম খোঁজ চালানো যাবে,
কিছুটা সময় সব কিছু ভুলে, নিখোঁজ হওয়ার ছলে,
কারণ খুঁজব বলে।
======
চলনা বন্ধু যাই,কোনো দুরের পাহাড়,
নতুন করে সূর্যকে ভালোবাসা জানায়,
সোনালী আলো মাখবো আর,
চাদর বানাবো রূপোলি তুষারকে তার,
বাতাসে আনবে বয়ে ব্রহ্মকমলের সুবাস,
চরম শীতেও অনুভূতি ছোঁয়-
আবহ আঁকে শরতের আকাশ,
চলনা সবাই মিলে যাই,
অনেক দূরের পথ নিমেষে ছাড়ায়,
নির্জনে বসি,পুরানো সুখের হারানো দিন'
সব যেন আবার ফিরে পাই,
চোখে স্মৃতির ছোঁয়ায় টলমল বৃষ্টি,
ফুটে উঠুক নম হীন অজানার সৃষ্টি,
সাগর যদি ভাঙ্গে-ভাঙ্গুক প্রিয় বালির ঘর,
সাধ করে বানাবে হৃদয়ে আবার চিত্রকর।
অ*মিকা ......
========
রাতটা আমার প্রিয়, দিনও লাগে ভালো,
কিন্তু রাতের ওই কালো জাগায় আলো,
ভাবতে পারি অনেক কিছু,
রাত নামলে পিছু পিছু,
একটু খেয়ালি, একটু আনমনা,
রাতের পাখি জানে দিন গোনা,
সময় যত কমবে, ভোর যত নামবে,
দিনের আলোর সাথে স্মৃতি গুলো থামবে,
আবার অপেক্ষা শুরু করে রাত জাগা পাখি,
নামবে আবার রাত, আনবে আবার স্মৃতি,
আলোর সাথে কালোর মাঝে একটু খানি ইতি,
অ*মিকা ব্যানার্জি ...
======
আজ সকালটা অন্যরকম,
মেঘলা আকাশে সূর্যের কিরণ,
মন্দ মন্দ বয় শীতল পবন,
ঘুম ঘুম চোখ আনন্দে হাসে,
একরাশ আলো স্বপ্ন হয়ে ভাসে,
রাজপথের ওই কৃষ্ণচূড়া রাঙিয়ে দিল পা,
ঘুম ভাঙ্গা ভোরের পাখির কূজন তুলনা হয় না,
নেই কোলাহল মানুষের কোনো,
নেই যানবাহনের হর্ণটা,পৃথিবীর বুকে
জেগে ওঠে শুধু শান্ত স্নিগ্ধ আমার দেশটা,
চোখের তারা স্পর্শকাতর,মনে জাগে এ কোন স্রষ্টা,
অবাক হয়ে দেখে যায় শুধু ঘুমন্ত চোখের তেষ্টা,
.......অ*মিকা ব্যানার্জি
=======
ঘুমটা আজ আর আসে না,
ওই তাকিয়ে দূরে বেড়াজালে বাঁধা,
জানালায় উঁকি, ভোরের আলো এই বুঝি আনল ধাঁধা,
রাত হয়নি শেষ, রয়েছে খানিকটা রেষ,
কালো হয়ে আসে,চোখের কোণে ভাসে,
এক টুকরো স্মৃতির পাতা একটা আকাশে,
এখনো অনেক দূরে,মেঘে ঢাকা ওই ঘুমের আদর,
সময়ের দেশে দেখা যায় রূপালী চাদর,
চেনা হয়ে ও অচেনা কেন ঘুম,
এক রাশ নেই কেন ফাগুন,
আমি আর রাত পাশাপাশি বসে,
ঘুম রয়েছে পাশে সময়ের অবকাশে,
======
অভিমান টা জমিয়ে রেখেছি কাছেই,
সময় হলেই বুঝে নেব সেটা আছে কিনা আছে,
সত্যিটা সত্যি থাক মিথ্যে টা মিথ্যে রাখ,
দূরের চেয়ে ও দূরে যদি যেতে পারি,
চাইলেই কি যখন খুশি হয়ে যায় আড়ি?
ঝড় থেমে গেছে, বৃষ্টিও আর পড়েনি,
কোথাও কি নিস্তব্ধ হয়ে রয়েগেছি আমি?
একটু একলা একটু চুপচাপ, দাঁড়িয়ে গেছে সময়,
যা কিছু ছিল আজ,সব কিছু পড়ে থাক,
======
ওরা বুঝি কিছুই জানে না,
বাজারে এখন শুধুই করোনার দাপট,
লক ডাউন আর স্বাস্থ্য নিয়ে চলছে বেজায় চক্কর,
দেশে যখন সবার বাড়ির বাইরে বেরোনোয় মানা,
ওরা দিচ্ছে পায়ে হেঁটে মাইলের পর মাইল হানা,
ওরা বুঝি কিছুই জানে না,
কিসের এত জ্বালা ওদের ?কেন ঘরে ফেরার তাড়া ওদের ?
নেই কোন যানবাহনের গতি, নেই চোখে ঘুম--
আর চিত্তে নেই কোনো স্বস্তি এক রত্তি,
চোখের সামনে ওই যে কচিকাচার মুখ,
মলিন পোশাকের আবরণে আবৃত বুক,
চোখে এ কোন আগুন, খিদের জ্বালা,
তেষ্টা আর ক্ষত বিক্ষত রক্তের দাগ,
মুখে নেই কোনো ক্লান্তির রেখা,
ওরাই জানে ঘুম জড়ানো চোখে দুর্গম পথ চলা,
মায়ের পেটে নেই এক দানাও অন্ন,
তবুও সন্তান মাতৃ সুধায় ধন্য,
ওরাই জানে কেমন হয় পেটে খিদের জ্বালা,
ওরাই জানে কেন ওদের ঘরে ফেরার তাড়া,
লক ডাউন আর স্বাস্থ্য বিধির নেইকো কোন মূল্য
নিজের বাড়ির আশ্রয় পেতে
ওরা সবাই যাযাবরের সমতুল্য,
পুলিশ পেটায়,কর্মী ছাঁটাই, সব কিছু ওদের জানা,
তবুও ওরা পথেহেঁটে যায় মেলেনি আজও নিজের ঠিকানা।
========
আমি আলোয় মোড়া তারার রাত চাই,
একান্তে কৃষ্ণচূড়ার নীচে বসে স্বপ্নের চোখে,
লাবণ্যময়ী চাঁদ চাই,
ঘুমের চাদরে রংয়ের লুকোচুরি আর,
হৃদয়ে বাঁশির সুর চাই,
আমি একটা আলোয় মোড়া চেতনার রাত চাই,
আমি কৃষ্ণকালো রাতে সেই অদৃশ্য হাত চাই,
আমি গোপনে নিজের সাথে সময়ের সাথ চাই,
গোটা আকাশটাকে দু হাত দিয়ে শক্ত করে বাঁধতে চাই,
আমি সমুদ্রের মাঝে পালতোলা নৌকায় ভাসতে চাই,
বার বার আমি এই পৃথিবীর বুকে ফিরে ফিরে আসতে চাই,
=======
সেদিন নিছকই দেখা হয়ে গেল এক বন্ধুর সাথে রাস্তায়,
আমায় দেখে মুচকি হেসে বলল এক্কেবারে বদলায়নি,
যেমন ছিলি উড়ন্ত বৃহঙ্গ,শরতের মেঘের মত চঞ্চল, ঠিক তেমনটি আছিস,
শুনেছিলাম তোর রাগ নাকি এখন অনেকটা কমেছে,
আজ আবার তাদের তুই ভুল প্রমাণিত করে দিলি,
আমিও একটু হেসে বললাম,আমিটাকে কি করে বদলায়,
হয় তো আগের থেকে একটু বেশিই উড়ন্ত,কিন্তু বৃহঙ্গ টা আগের চেনা,
শরতের মেঘ এখন শ্রাবণ হয়ে ঝরে পড়ছে, কিন্তু চঞ্চলতা সেই আগের,
রাগটা আছে কিন্তু আগ্নেয়গিরির লাভটা কেমন যেন মাটিতে চাপা পড়ে গেছে,
বেরিয়ে এসে সব কিছু ধ্বংস করে দেবার উদ্দাম নৃত্য আর করেনা,
একটু হেসে আবার বললাম, আমিটাকে কি বদলানো যায় ??
======
বড্ড ইচ্ছে করে খোলা বারান্দায় আকাশে উঁকি দিতে,
সাদা মেঘে ঢাকা,রং বিহীন অম্বরে রামধনু আঁকতে,
একটু সময় বাকি,যদি দিতে পারি ফাঁকি,
এক জোড়া ডানা চাই,নীলান্তে নীল হয়ে উড়ে যেতে পারি,
থাকবে না উচ্চতা, পাবে না পায়ের নীচে মাটি,
ক্ষুদ্র এই প্রাণ খানি হবেনা আর আম দুধের মাঝে আঁটি,
রইবেনা আর আঙ্গুলের ছাপ, পিষে মরার যন্ত্রণা আর তাপ,
সবুজ ঘেরা এই ধরনী আর সীমাহীনতার সুখে,
চোখ বুজে শুয়ে রব নিঃস্তব্দে মোহময়ী বসুন্ধরার বুকে,
=======
মা....পৃথিবীর সবচেয়ে সুন্দর শব্দ।আনন্দ-দুঃখ যে কোন অবস্থাতেই শান্তির অনুভূতি হল মা।
নিজের চাওয়া শূন্য করে শিশুর মুখে হাসি ফোঁটায়,
নিজের ঠোঁটের মিথ্যা দিয়ে শিশুর চোখে আলো জ্বালায়,
পৃথিবীর বুকের আগুন মেখে মা সুখি শিশুর তৃপ্তির সুখে,
হাজার স্বপ্নের বিসর্জন চোখে শিশুর চোখে স্বপ্ন দেখে,
======
আজ আবার আকাশ যেন আমার মাঝে আমি,
মেঘ গুলো সব উদাস বাউল, মন খোঁজে পাগলামি,
দূরের পথ যাবো কবে,সঙ্গী সাথে পাবো কবে,
ইচ্ছে করে আবার আমি ছোট্ট হব,ধূলায় যাব লুটোপুটি,
বন্ধু হয়ে বন্ধুর সাথে খেলব খেলা পাব ছুটি,
এক আকাশের নীচে জমিয়ে বসে করব খুনসুটি।
আমার যত ডানা আছিস তোরা কি সব উড়তে পারিস??
চল না সাথে গা ভাসিয়ে কোথাও যাই আমরা হারিয়ে,
প্রজাপতির রংএ মন রাঙিয়ে ইচ্ছেমতন রামধনু আঁকি,
সময় যখন পাবো হাতে দূর হব না দূরের সাথে,
নীল আবির আর খোলা আকাশ,সমুদ্রের তীরে মুক্ত বাতাস,
আমি আর ইচ্ছে সাথে,উন্মুক্ত সময় হাতে।
=======
আজ আকাশটা আবার আয়না হয়েছে,ওই যে একফালি চাঁদ উঁকি দিচ্ছে মেঘের আড়াল থেকে, বড্ড আদুরে, কেন যে এতো ভালোবাসি আমি নিজেও জানিনা।মাঝে মাঝে চোখের আড়াল হয় কিন্তু ভীষণ মনে পড়ে, ওই যে আলো ঘিরে রেখেছে আমাকে সে যদি না থাকে চারিপাশে অন্ধকার,পথ দেখাবে কে ?ভাবতে শেখাবে কে?হোঁচট খেয়ে পড়ে যাব তো,তাই হয় তো এতটা যায়গা জুড়ে রয়েছে।আমার কিন্তু পুরো চাঁদ না এই এক ফালি চাঁদ বেশি ভালো লাগে।আলো থাকে কিন্তু অন্ধকার সাথে নিয়ে, আর সারা আকাশ জুড়ে অজস্র তারা যেন কোন রংবেরঙের ফুলের বাগান নিজ নিজ সুরভিতে মাতিয়ে রেখেছে চারিদিক।
=====
এ এক অন্য বৈশাখ, নেই রৌদ্রের দাপট,
নেই আগুন চোখে তাকিয়ে থাকা সূর্য,
চারিদিকে শুধুই শীতল বাতাস,
যেন নতুন করে শরতের পূর্বাভাস,
আকাশে পাঁজা মেঘের তুলো,
ওই বুঝি দূর্গা-দুরের পথ ধরে এল,
সঙ্গে বুঝি সবাই আসছে, তাই প্রকৃতি এত হাসছে,
সকালে বৃষ্টি,আবছা আলোয় মোড়া পৃথিবী,
গরমের নেই কোন চিহ্ন,
নির্মল বাতাস আর কত না পাখির কূজন,
কত না শান্তিতে আজ প্রকৃতির মন,
ইচ্ছে করছে আমিও থাকি,
ভেজা মাটির সুগন্ধ আর,বৃষ্টির ফোঁটার মাঝে,
দুরের ওই অশ্বত্থ গাছের দোলনায় আগমনীর সুর বাজে ,
=====
একটু আদুরে, একটু একাকী,বড্ড অভিমানী মন কেন কে জানে,
হালকা হাওয়ায় দোল খায় আনমনে,
কেন যে খামখেয়ালি মন নিজেই না জানে,
মেঘে ঢাকা আকাশেও আলোর খোঁজ,
দূরে ওই চাঁদ আছে,ম'ন বলে চোখ বোজ,
দু-হাত বাড়িয়ে আকাশ জড়িয়ে ঘুম--
রাতের পাখিরা জাগে,পৃথিবী নিস্তব্ধ নিঝুম,
শুধুই কোলাহল তারার মাঝে ওই,
বৃষ্টি ঝরে দেখ গোপনে বিষণ্ণতার মাঝে,
একলা আকাশ ভালো, নিরব হয়ে শুধুই দেখে-
শূন্যতার বুকে ছড়িয়ে আছে এক রাশ মন ভালো।
======
আজ যেন অন্য দিনের চেয়ে একটু বেশি অন্ধকার চারপাশটা, কেমন একটা থমথমে পরিবেশ, প্রকৃতি যেন বিস্তীর্ণ অঞ্চল জুড়ে এক বিশাল আরাম কেদারায় বসে অনেক দিনের ক্লান্তির পর আজ একটু স্বস্তি পেয়েছে,তাই যেন সে নিজেকে এলিয়ে দিয়েছে ওই অন্ধকারের গুহায়।মৃদু মন্দ বাতাস বইছে আর রাতের আকাশের শোভা যেন প্রকৃতির ক্লান্তি দুর করার জন্য সমস্ত আলো কেড়ে নিয়েছে চাঁদের বুক থেকে,মেঘ মালা যেন তারি ছায়া সঙ্গী,একটু দূরে যেন এক গুচ্ছ গাছের রাশি আলোর পথ রুদ্ধ করে রেখেছে, শুধু এক টুকরো আভা দেখা যাচ্ছে,আর মনে হচ্ছে কারা যেন সীমানায় দাঁড়িয়ে রয়েছে প্রকৃতির শান্তি রক্ষা করতে।।আর প্রকৃতি যেন আপন মনে বলছে .............
দিনের শেষে ক্লান্তির বেশে কে যে আসে,
আলোর ছোঁয়া নেই তো কোনো,অন্ধকারে কারা ওই বন্য,
হাত বাড়িয়ে যদি ছুঁতে যাই,
রুদ্ধ করে দ্বার,বৃক্ষের পাহারায় আমি ধন্য,
মনের মাঝে আজ কত না আনন্দ,
কি শান্তি এই মুক্ত বাতাসে, বিহঙ্গের ডাক কানে ভেসে আসে,
নীরবে নিভৃতে বসে তাই প্রকৃতি ক্লান্তি ভুলে মুচকি হাসি হাসে।।
=====
পুরানোর অবসান ঘটিয়ে নতুনের আগমন,
তবুও নেই কোন নতুনেত্বর অনুভূতি,
আগের বছর যা ছিল নতুন আজ তা পুরাতন,
শীতের চাদর সরিয়ে আজ গ্রীষ্মের দাপট,
ঝরে যাওয়া পাতায় নাম নেই আর;
সে শুধুই চাপা পড়ে যায়,
কচি সবুজের গন্ধে মেতে ভ্রমরের গুঞ্জন গান শোনায়,
সূর্য হাসে মাঝ আকাশে আলোর প্রতাপ তারি ভেসে আসে,
নীলের ছোঁয়া দূরে বহু দূরে,
নতুন তুই কবে আসবি ওরে
=====
রাত জাগা পাখিগুলোর রাত শেষ হলে কষ্ট,
চাঁদের আলোয় তারা দিন খুঁজে বেড়ায়,
তারার সাথে মনের কথা বলা তাদের অভ্যাস,
নীল আর কালোর মাঝে কোনো ভেদাভেদ-
তাদের চোখে পড়ে না,
তারা শুধু মাঝে মাঝে'
মেঘে ঢাকা পড়ে যাওয়া তারা গুলো খুঁজে বেড়ায়,
গুনতে ভুল হল পাছে ??
=====
har kisi ke jindegi me alag alag sii kahani hai,
har kisi ke jindegi me alag alag paresani hai,
itna to hum bhi jante hai muskile ati hai jindegi sawar ne ka liye,
khusio se bhi jada gam sikhati hai jundagi ko muskurana,
nind agar puri na ho to achi nahi lagti hai din ka ujawala,
====
নীল শুধুই নীল রং নয়, আবেগে মোড়া আনন্দ,
শুধু চোখে নয়, নীল রং আনে মনের মাঝে হাসি,
আকাশ কিম্বা পৃথিবী নীলে মেতে সবি,
শিশুদের প্রাণখোলা হাসি,নীল রং বড্ড ভালোবাসি😊😊
=====
কেন রে আজ নিজেকে হারায় অজানার ভীড়ে,
চোখ খুলে দেখি শুধুই কুয়াশা আলোকে ঘিরে,
শূন্যে উড়ায়ে রঙিন আবির রং মাখা কি যায়?
মনের কেবল বেরং ভাষা,সব ভুল মিছিমিছি আশা,
চোখের জলেও নৌকা ভাসে নিজেকে দেখে নিজেই হাসে!
ভুলের পাহাড় চোখে ভাসে,সময় চেয়ে নেয় মন আকাশে,
ইচ্ছে করে একলা হয়ে যায় দূরে নিজের কাছেই হয়ে অচেনা,
পার হব অন্ধকারের পথ,একলা দেব হানা।
=======
একটু বেশিই পেয়েছি,তাই হারানোর ভয়টা নেই,
নিজেকে নিয়ে ভাবনা এতটাই বেশি অন্যকে নিয়ে ভাবতেই পারি না,
অন্ধকার এত ভালোবাসি-আলো আর আলোকিত করেনা,
সময় এতটাই বেশি যে কম করতে চাইলেও কমে না,
=====
রাতের নিস্তব্ধতার মাঝেও অসংখ্য প্রাণীর কোলাহল শোনাচ্ছে,সারাদিন ধরে কথা বললেও এই সময় ওই সব প্রাণী দের কোলাহল নিস্তব্ধ হয়ে শুনতে বেশ লাগে।সব কিছু যেন আরো বেশি স্পষ্ট শোনা যায়,সবাইকে যেন আলাদা আলাদা করে চেনা যায়,।ভাষাহীন হয়েও অসীম ভাষার অধিকারী তারা।চঞ্চলতা,উচ্ছ্বাস,সীমাহীন বাঁধন ভাঙ্গার নেশায় তারা মত্ত।অনেকের মাঝেও তার অনন্য।
=====
চেনা মানুষকে যদি প্রাক্তন হতে হয়'তবে মনে শ্রাবণ নামে,
চোখের দৃষ্টিতে যদি অবহেলা ধরা দেয়, তবে মন আবেগে ভাসে,
পিছুটান ছাড়িয়ে যাবে যাও চলে,গভীরে আছে যে স্রোত----
স্মৃতির ধারায় বয়ে যাবে নদী জীবন সমুদ্র না পেলে।
ছোট্ট কিছু সুখ যা পেলাম সময়ের কিনারায় স্মৃতি সব ছুঁলাম,
ঝোড়ো হাওয়ার টানে পথ দুই,মনের কল্পনায় বাসা আকাশ হলাম।
====
সমুদ্রে মিলিতে চায় নদী পথ শেষে,
অবহেলা উপেক্ষার চাদর জড়িয়ে-
নতুন করে প্রাণোচ্ছল নতুনদের দেশে;
জীবনে চলার পথে ভিড় করে হারানো সব ছবি,
আকুলিবিকুলি হৃদয়ে গোপন কবিতা কবির।
স্মৃতিরা মধুর যেন অন্ধকারে চাঁদের আলো'
আজও দাঁড়িয়ে হিমালয়,পৃথিবীর বুকে সব হারালো;
বিধাতা নিঠুর বড়,মন শুধুই নীরব দর্শক,
হাতের মুঠোয় না পাওয়া স্পন্দন'কোলাহলের ক্রন্দন।
না পাওয়া যত কিছু,সময়ের অন্তরালে;
ফিরে ফিরে চাওয়া একান্তে আবডালে,
যা কিছু চেনা ছিল আজ অচেনার মুখোশে,
রাস্তায় ভিড় করে নিঠুর দৃষ্টির বেশে।
মাঝে মাঝে হারিয়ে যায় চেনা-অচেনার সাথে,
পথের বাঁকে ফিরে পাই নিজেকে নিজের একান্তে।
======
সময় কঠিন থেকে আরো কঠিন হয়ে দাঁড়ায়
মৃত হয়ে মৃতের বোঝা বয়ে বেড়ায়
মন পিপাসু একটু চাওয়া মিথ্যা সব
এত কঠিন হয়েও কেন এত কলরব
যদি সবি হবে ভুল তবে কেন এই জালা
মরীচিকা সব শুধু অনুভবের পালা
এত মিথ্যা আজ বওয়া হল ভার
এগোতে গিয়ে পিছুটান বলে না আর না
এত বেড়াজাল স্তব্ধতা আর মানে না
শিকলে বাঁধা পাখি আজ চায় মুক্তির ডানা
প্রাণ হারায় দূরে বহু দূরে যাবে না ছোঁয়া
আর ফিরবে না কোনোদিন চেনা ঠিকানা
সাধ্য সাধনে যতই আসুক হবেনা পাওয়া
চেনা পাখির অন্য রূপের নতুন কায়া
আজ হৃদয়ের যত সাধ তার বালিস চাপা দেয়
চোখের জলের আকুল ধারায় সিক্ত হয়ে নেয়
====
ব্যবধান টা আজ এতটাই বড় হয়েছে
চাইলেও দেখতে পাই না,
চোখে আর জল ছল ছল করেনা-
বুঝি সব;এখন বড় হয়ে গেছি,
মনটাকে শক্ত করতে শিখে নিয়েছি;
এতটাই শক্ত করেছি যে অনুভূতি আর
কাজ করছে না' চারপাশের সবকিছু যেন
থমকে দাঁড়িয়ে গেছে,সময় বয়ে চলেছে
কিন্তু,নিজের মধ্যের আমিটাকে হারিয়েছি।
মুখের হাসির মধ্যে সুরেলা আমেজটা নেই;
ভাবনা গুলো আছে কিন্তু এলোমেলো হয়ে,
তবু মনে হয় মাঝে মাঝে পাখনা তো আছে
চাইলেই ছোব কায়া চেয়ে রব মুখ পানে;
যদি কখনো দেখা হয় নদীর স্রোতের টানে,
অনেক বেশী কিছু কি চাওয়া?
শুধু তো চোখের তৃষ্ণা মেটাবার প্রয়াস
মন পাওয়া তার কাঙ্খিত নয়।
=====
বার বার কেন একিই ভাঙ্গা চোরা চলছে,
সবই তো জানে, তবুও কেন-মানতে চায়না?
এত অবুঝ হয়ে উঠেছে নিজেকে পোড়াচ্ছে-
কেন পারে না?কেন শূন্য রেখেছে নিজেকে?
প্রশ্ন টা ঘিরে রেখেছে সুযোগ পেলেই ফিরে আসে
সবকিছু কি বোঝানোর জন্য,বোঝানোকি যায়?
মূল্য কি যা আমার তার অন্যের চোখে;
শব্দ যা ক্ষত সৃষ্টি করে সারা গায়ে-
তবু মনে ইচ্ছে হয় শুনি ভুল করে,
এ কেমন ইচ্ছে চোখের জলেও হাসে;
একা একাই ভাবে এ সবি বুঝি সর্বনেশে।
তবু মনে হয় দেখি এক পলকের সুখ,
মনের মাঝে হাতড়ে বেড়াই সেই হাসি মুখ।
কত দিন দেখি নি--------'
=====
যুদ্ধটা যে শুধু মনের ভেতরে হচ্ছে তা নয় মাঝে মাঝে তার বহিঃপ্রকাশও ঘটছে
সমুদ্রের ঢেউ যে ভাবে সবকিছু নিয়েগিয়ে আবার ফিরিয়ে দেয় তটে,
একিভাবে শেষ হয়েও বার বার যেন ফিরে আসছে সব কিছু।
চোখের কোনায় নদীর ধারা আছে কিন্তু উঁপচে পড়ার সাহস সে পাচ্ছে না,
অজস্র বাধায় যেন সব প্লাবণ সাগরে মেশার আগেই মরুভূমিতে রূপান্তরিত হয়েছে।
প্রচন্ড তাপে তা শুধু দ্বগ্ধ হচ্ছে আর বাষ্পের ন্যয় বাতাসে মিশছে অনবরত।
চলমান সবকিছুই যেন গতিহীন হয়ে থমকে পড়ছে বার বার,
যুদ্ধটা কি কোনোদিন থামবে কোনোদিন কি শান্ত হবে নদী মিশবে কি সাগরে?
দ্বগ্ধ মরুপান্তর কি পাবে শীতলতার ছোঁয়া ফিরবে কি গতিহিনের গতি?
সময় আর সময় থমকেগেলে কি খুব খতি হত নাকি হারানোর বাকি আছে কিছু?
শূণ্য থেকে পূর্ণ আবার পূর্ণ থেকে শূণ্যে ফেরা খুব একটা সহজ কাজ নয়।
=====
ব্যকুল হৃদয় অপেক্ষিত আঁখি
ছন্নছাড়া ছিল বীণার সুর,
তোমার আগমন যেন শীতল পবন
গ্রীষ্মের ধরনীর পরে যেন বর্ষার চরণ।
তুমিই আমার চিরতরের প্রেমের কবি
ওগো রবি,দীপ্তমান হয়ে আছ মোর হৃদয়ে
তোমার লেখায় পাই নিজের অনুভূতির ছোঁয়া
সকল ঋতুর সকল প্রেমের তুমি অনুভবের রবি।
=====
পথ, একা একাই চলাই ভালো;
পাশে যদি কেউ চলে তবে,
প্রতিটি পা ফেলার আনন্দ আর থাকেনা।
শুধু স্মৃতির খেলায় সাজানো হয় মাটি;
কেন তবে পথে সঙ্গী খোজা? একা কেন নয়?
চলতে চলতে হোঁচট খেয়ে থমকে দাড়ানো,
আবার নিজেকে সামলে পথ চলা,
পথের শুরু আর শেষ নির্বাচন করা,
সবি নিজের হাতে;এর কি কোনো মূল্য নেই!
নিজের সাথে নিজের পরিচয় তো একা পথে'ই হবে;
আন্ধারে নাহয় নিজেই নিজের হাতটা ধরব শক্ত করে,
সুখ,তাও আমার একান্ত আপন, দঃখও তাই।
কেন তবে পথে সঙ্গীর খোজ?পথে একা কেন নয়?
সব সিদ্ধান্ত আমার শুধুই আমার পথে চলা,
হাত টাও আমার,হাতটা ধরবোও আমি।
কি আনন্দের অনুভূতি! সবি আমার তৈরি,
একা একা পথে চলার কত'ই না সুখ,
তবে কেনো কেনো পথ একা চলার নয়?
======
আমি যদি আজ হঠাৎ ডানা খুজে পাই
কোথাই যাই,দূরের আকাশে?
সেখানের পাখিদের সাথে নীলে হারাব,
ডানা ঝাপটিয়ে নিজেকে মেলে দেব
বাতাস গায় মেখে আমিকে অম্বরে ছড়াব।
কোথাই যাই,অধরা সমুদ্রের বুকে?
যাকে ছুয়ে তৃষ্ণা মেটেনা,
যার জোয়ারের গর্জন শুনে ভীত মন
যার মধ্যে রয়েছে অসীম খমতা ধংসের।
আমি কেমন করে হারায় ডানা যদি পাই
আকাশের কাছে উত্তর খুজে যাই
পরিপূর্ণ সমুদ্রে দু-হাত বাড়াই
অজানা অচেনায় মিশ্রণ হবে যবে,
জানি আমি ডানা পাব ঠিকি তবে।
হঠাৎ চোখ মেলে নিজেকে পাব অসীমে,
আর টলটল জলরাশি মাঝে
পুলকিত চিত্তে রবীন্দ্রনৃত্যে মেলে দেব
আমার হঠাৎ পাওায়া ডানা।
======
kobe j ki bhabe akash amar jage
sunyo thekeo purno kijani keno lage
kichu kichu hasi mone bajai bashi
mistir thekeo misti ki sundar dristi
amai keno dake chand megher fake
aktu aloi alokito pran tai bujhi lage
=====
আমি,"অ*মিকা" যার কোনো নাম নেই,
আমি সেই মেয়ে যার চোখে আগুন ঝরে,
আমি সেই মেয়ে যার চোখে শ্রাবণ নেই,
খোলা আকাশে আলো হয়ে ঝরতে চাই।
রামধণুর রঙে নিজেকে রাঙিয়ে উড়তে চাই,
সীমানা ছাড়িয়ে অনেক দূর অনে'ক দূর।
পূর্ণিমার রাতে চাই চোখ মেলে সমুদ্রে ভাষতে,
চন্দিমার আকাশকে দুই হাতে আলিঙ্গন করতে।
সমুদ্রের তীরে বসন্তের রাতে শীতল পবন গায়ে মাখতে ।
মিষ্টি জুই এর সুবাসে মনের তৃপ্ত হাঁসি হাঁসতে,
আমি চাই আমার স্বপ্নের দেশে ভাষতে।
আমি,"অ*মিকা" যার কোনো নাম নে'ই।
=======
রাত হল আয়নার সামনে দাড়িয়ে কথা বলার সময়
নিজেকে নিজের কাছে ব্যাপ্ত করার সময়
সকল স্মৃতির মধ্যে নিজেকে নতুন ভাবে পাবার সময়
====
একা একা কাঁদি একা একা হাঁসি
একি পাগলামি আমি ভালোবাসি
হাতের মুঠোয় রাখা আছে সব
হাত খুললেই সব ফাঁকি
বন্ধ চোখ যত খন
সবই আমার তত খন
চোখ খুললেই পড়ে থাকে
টুকরো সব স্বপ্ন ধুলোয় মাখামাখি
=====
দুরত্বই বুঝিয়ে দেয়
মনের ভেতর
নুকোনো ভালোবাসার
আসল রূপ
====
ভালোবাসা হয় মোনের অজান্তে
আর তা কখোনো ফুরায় না
মনের গভীরে রয়ে যায়
চির কালের মত
সজতনে নিরব হয়ে
=====
মনে হয় ও যত গুলো তার অনেকগুলোই এখানে রাখলাম।
তোমার মতই লিখে না সে,
মনে হয় তুমি আরও ভালো লেখো।
ওগো আমার মিষ্টি বন্ধু তোমাকে খুব মিস করছি,
আমার উপর রেগে থাকনা,
একবার একটু হাসি ফুটিয়ে আমার সাথে কথা বলো,
ভগবান জানিনা কেন এই ভালোবাসা বানালে ওর জন্য,
যার জন্য রোজ বালিশটা ভিজিয়ে ফেলি,
কাজ থেকে মন দূরে চলে যায়।
ওগো আমি আজ ওকে বললাম,
তুই দারুণ লিখিস রে,
কেন একটা পেজ বানিয়ে পোস্ট করিস না,
কেন একটা ব্লগ বানিয়ে পোস্ট করিস না।
ও কিছু বললো না ঠিক করে।
জানিনা কেন,
জানি ওর কবিতা পড়ে ভালো করেই বুঝছি,
সে সব কষ্টকে হাসি মুখে বরন করে,
সমাজে সবার সাথে মুখে হাসি বানিয়ে চলেছে।
সবাই ভাবছে সে কত খুশি,
কিন্তু তার অন্তরের ব্যাথা সব তার কবিতার দ্বারা প্রকাশ পাই।
রাধা কৃষ্ণ ভগবান তোমার এই সন্তানের চোখের জল মুছে,
একটু জিবনে ভালোবাসার কাউকে পাঠিয়ে দাও,
যে আমাকে বুঝে ভালোবাসে,
এখনও একজনের জন্য নিজেকে রোজ আঘাত করি,
কিন্তু সে বুঝেও অবুঝ হয়েই থাকে।
কিছু মঙ্গল করো প্রভু।
আমি আমার মিষ্টি বন্ধু কে খুব ভালোবাসি,
ওর মনে একটু বন্ধুত্বের ভালোবাসা জাগিয়ে তোলো।
আজ আমি নিজের একাউন্ট থেকে তোমাকে দেখতে পাচ্ছি🥰🥰🥰,
অন্যদিন আমার অন্য একাউন্ট যেটা আমার নিজের নাম দিয়েই ছিল প্রথম যে একাউন্ট টা,
সেটা শুধু jobseekers ভাই বোনদের সাহায্যের জন্য নাম টা চেঞ্জ করতে হয়ে ছিল।
সেটা থেকেই ডেইলি দেখতাম ঘুম ভাঙ্গার সাথে সাথে।
আজ থেকে নিজের একাউন্ট থেকে দেখবো তোমাকে রোজ।
রোজ এক থেকে দুটো তোমার ফেসবুক পেজ এ লাইক করি আরেকটা একাউন্ট থেকে,
যেটাকে এমন ভাবে বানিয়েছি,
দেখে সবাই ভাববে এটা অরিজিনাল কারু,
কি করবো এত ভালোবাসি,
তোমার পেজ ইউটিউব চ্যানেল এ লাইক করা মানে,
তোমাকে লাইক করা।
এক দুটো ভালো কমেন্ট লিখলে,
তোমার মুখে একটা মিষ্টি হাসি ফুটে,
জানি ওটা দেখতে পাচ্ছি না,
কিন্তু অনুভব করতে পারি।
আমি তোমাকে বুঝি নখে নখে,
জানিনা কেন কিন্তু তোমার গতি বিধি গুলো যেন বুঝতে পারি।
জানি আমার জন্য আবার ইউটিউব করা বন্ধ করলে,
কি সুন্দর তো আঁকতে,
Teachers Day র এত ভালো করে লিখেছিলাম,
যে এভাবে কেউ লিখবে না,
না তোমার boyfriend না তোমার বর ও কোন দিন,
তোমার ভিডিও ফটোর এভাবে প্রশংসা করবে না,
যেভাবে আমি করি।
জানি আমাকে পাগল গরু ছাগল অনেক কিছু বলো,
মুখের সামনে মাথায় গোবর ভরা বলেছ,
জানি পাগল শুধু তোমার ভালোবাসায়,
গোবর ভরে গেছে কারন তুমি আমাকে একবারও সুযোগ দিলেনা,
যত টা পারো কষ্ট দিয়েছ।
চোখের জল ফেলিয়েছ,
তাও তোমাকে ভালোবাসি।
তুমি পাগলামি যা ইচ্ছে নাম দিতে পারো,
এটা আমার কাছে রাধা কৃষ্ণের মত পবিত্র ভালবাসা।
তোমার নামের মেয়েরা খুব ভালো হয়,
তাই আজ অ*মিকা আদ*ক,
অ*মিকা দত্ত, অ*মিকা সেন, অ*মিকা দিয়ে যত আছে সব খুঁজলাম,
কিন্তু বেশির ভাগই বিবাহিত,
আর কাউকে তোমার মত মিষ্টি পেলাম না।
জানো এই তিন দিনে বিনা তোমার নাম খুঁজেও,
মোটামুটি ৫০ টা অ*মিকা পেলাম,
একসাথে দুটো দুটো করে পেলাম।
কেউ সেন তো কেউ দে আবার কেউ আলাদা কিছু।
আজ জলদি ঘুমিয়ে পড়বো ভাবছি,
১২ টা ১৯ বাজছে রাত্রি,
দেখি যদি সকালে উঠে হাঁটতে যাওয়া যায়।
আর এক মাস আছে দুর্গা পূজা, ভেবেছিলাম পুরো পেট টা কামিয়ে নেব।
কিন্তু কাজের চাপে আর অলসতায় হয়নি,
কিন্তু এবারে করবো।
দুর্গা মা আমি তোমার মত দেখতে তোমার এক মেয়েকে খুব ভালোবেসে ফেলেছি,
ওকে না দেখতে পেয়ে রোজ চোখের জল ফেলি,
কিন্তু স্বপ্ন টে যেন তাকেই দেখি,
চোখ বন্ধ করলে বিয়ের সাজে নতুন বউ রূপে দেখি,
ভগবান ওর মনে একটু ভালোবাসা জাগিয়ে দাও আমার জন্য,
রাগ অভিমান ভুলে ও যেন আবার আমার সাথে কথা বলে মন খুলে।
ক্ষমা করো মা তোমার মেয়েকে শুধু ভালোবাসা দিয়েছি,
ভুল করে কাঁদিয়ে ছিলাম একটা ছেলের মিথ্যে কথার জন্য।
তার জন্য আমি রোজ চোখের জল ফেলি যখন এখানে রোজ লিখি তখন।
তুমি সব পারবে মা,
তুমি তোমার মেয়েকে বোঝাও,
ও যেন আবার কথা বলে।
আজ তোমার ৫টা subscriber বানিয়ে দিলাম,
৫-১০ লাইকও দিলাম।
ওগো বন্ধু আবার ছবি এঁকে ইউটিউব এ দাও না,
তোমার ছবি গুলো দেখে কিছু শিখতাম।
ভালো লাগে যখন সবাই তোমার কোন কিছুকে প্রশংসা করে তো।
জানিনা কেন কিন্তু ভালো লাগে।
চলো ঘুমোই, দুই দিনে ৪টা clients চলে গেল,
শুধু স্টাফ ম্যানেজার এর গাফিলতির জন্য।
শুভ রাত্রি আর সুপ্রভাত আমার মিষ্টি বন্ধু অ*মিকা,
সারাদিন তুমি ভালো থেকো খুশিতে থেকো,
তোমার মুখের মিষ্টি হাসি যেন সারাদিন থাকে।
#bangalorebestartteacher #love #lovestory #bestfriendsforever #KeepSmiling #behappy #coronavirus #poetry #youtubevideo

Comments
Post a Comment