Aamar Cindrella Aamar Anamika Romantic Photos 2025
আগে আমরা ইংলিশ লিখতে শিখতাম,
ইংলিশে কিভাবে লিখতে হয়!
এখন আমরা ইংলিশ ছেড়ে আবার,
আমাদের মাতৃভাষা বাংলা তে ফিরে এলাম।
তার উপর সুন্দর সুন্দর স্টাইলের font design যেন মন ভরিয়ে দেয়।
আগে বলতনা পৃথিবীটা গোল,
ঠিক তেমনি আমরা আবার,
যেখান থেকে শুরু করে ছিলাম,
সেখানে আবার ফিরে গিয়ে শান্তি পাচ্ছি।
মানুষ যখন জন্মায় বিনা কাপড় পরেই জন্মায়,
তার পর কত জামা কাপড় গহনা অলঙ্কার সাজ সামগ্রী ব্যবহার করে।
কিন্তু আবার যখন দেহ ত্যাগ করে,
তখন তার গায়ে একটা সুতো থাকেনা।
যেমনটি এসেছিল ঠিক তেমনি চলেগেল।
এটাই তো জিবন আমাদের।
কাল আমিও বাংলা সুন্দর সুন্দর ফন্ট use করতে শিখলাম।
আরও কিছু ভিডিও বানালাম মনের ব্যথাকে প্রকাশ করে।
আজ সকালে এখন দেখি,
তুমি তোমার প্রোফাইল লক করে দিয়েছ আবার 😅😅😅,
আবার কি হলো গো,
আমাকে তোমার পোস্ট দেখতেও দেবেনা কি গো!
ওই অনামিকা এখনও রেগেই আছো কি?
কি করবো বলো কি বলি আর তোমায়!
কখনো কখনো নিজেই ভাবি,
২০১৯ এর ২৭ মার্চ থেকে ২০ আগস্ট ২০১৯ লাস্ট কথা,
সেটাও আবার Facebook Social Media এ তে,
তার পর তো কথা হয়নি।
হ্যাঁ কমেন্ট এ তোমাকে বোঝাতে গিয়ে কথা হতো।
আর তো হয়নি না।
তাহলে আমি কেন তোমাকে এত টা ভালোবেসে ফেললাম,
যে চোখ বন্ধ করলে তোমাকে দেখতে পাই,
স্বপ্নে তুমি আসতে থেকো মাঝে মাঝে।
অনেক সুন্দর মেয়ে আছে,
কেন তোমার জন্য এতটা পাগল হয়ে গেলাম,
সত্যি নিজেই এর উত্তর খুঁজে পাইনা।
হতে পারে তোমার দের বছর ধরে Tiktok Video দেখে,
তোমাকে আরও বেশি বেশি ভালোবেসে ফেলেছি।
কারন এক একটা গান ভিডিও তোমার,
সব চোখের সামনে এখনও ভাসতে থাকে গো।
কি করবো এখানে লিখে মন ভালো রাখি।
Aamar Cindrella Diary টা আমার জিবনের একটা বড় part হয়ে গেছে।
একটা বাঙালি ছেলে বন্ধুর মিথ্যে অপবাদ আমার জিবনটা কে পাল্টে রেখে দিল।
সব জাতিতেই এরকম কিছু মানুষ থাকে,
যারা অন্যের ভালো দেখতে পারে না।
ঠিক তেমনি বাঙালি ছেলেটা একটা ছেলের হাসিটাকে ছিনিয়ে নিয়ে,
নিজে দিব্যি অন্য মেয়েদের সাথে মস্তি করছে।
আর ওই ছেলেটাকে Depression মর মর অবস্থায় ফেলে নিজে খুশিতে আছে।
এটা সত্য যুগ হলে, এরকম ছেলের অস্তিত্ব থাকতো না পৃথিবীতে।
একটা ছেলে আরেকটা ছেলের হাসি কেড়ে নিল,
শুধু মাত্র একটা মেয়ের জন্য।
তার আজ না হলেও একদিন ঠাকুর বিচার করবেই।
আর মেয়েটাও এখনও যে কষ্টে আছে,
সেই বন্ধুটাকে ক্ষমা না করে,
আরও বেশি অভিমান করে,
তাকে আরও বেশি বেশি কষ্ট দিচ্ছে।
তাও ছেলেটা মেয়েটার ভালো হোক,
ও খুব বড় হোক এই প্রার্থনা ঠাকুরের কাছে রোজ করে যায়।
আর মেয়েটা মনে হয় নিজের status maintain করার জন্য,
ওই ছেলে বন্ধুটাকে না দেখতে পায় তাকে,
তাই সে Facebook Profile Lock 🔐 করে দিল!
ছেলেটা একটু খুশি পেত তার পোস্ট দেখে,
সে চায়না ছেলেটা খুশিতে থাকুক,
তাই Facebook Account Lock 🔒 করে,
তার এই বন্ধুটাকে আরও বেশি কষ্ট দিয়ে মেরে ফেলতে চায় মনে হয়!
কি লিখছি জানিনা,
মাথায় লাগছে আবার।
জানো গো তোমার প্রোফাইল এর পোস্ট ছবি দেখে মন ভালো রাখি,
আজ ওটাও তুমি ছিনিয়ে নিলে
Facebook Account Lock 🔒 করে।
এই বন্ধুটাকে শুধু কষ্টই দেবে কি রোজ তুমি,
এটাতেই খুশি থাকবে তো ঠিক আছে গো,
তোমার খুশিতেই আমি খুশি।
এই বন্ধুটাকে যত ইচ্ছে কষ্ট দাও,
রোজ এর চোখ ভিজিয়ে চলো কথা না বলে, profile lock করে।
তোমার কষ্টকে ভালোবাসার অমৃত বানিয়ে,
একদিন তোমার জন্য পৃথিবীর সবচেয়ে বড় ভালোবাসার মহল বানিয়ে দেখাবো।
Sorry যদি কিছু ভুল লিখেছি তো,
মাথাটা পুরো ধরে গেল তোমার পোস্ট না দেখতে পেয়ে গো।
তুমি ভালো থেকো, ব্যাঙ্গালোর এ আছো,
করোনা থেকে দূরে থেকো,সুস্থ্য থেকো।
ভগবান তোমাকে খুব বড় আর্টিস্ট বানাই একদিন।
রাধা কৃষ্ণের ভালোবাসা আর আশীর্বাদে,
ঠাকুর যেন তোমার হৃদয়ে আমার জন্য একটু ভালোবাসা বানিয়ে দেয়,
আমরা যেন আবার ভালো বন্ধু হয়ে যাই।
Comments
Post a Comment