Aamar Cindrella Aamar Anamika Romantic Photos 2025
ধন্যবাদ ওই Site টাকে যে Tiktok এর অনেক ভিডিও, বিশেষ করে আমাদের ভিডিও নিজের সাইট এ আপলোড করে রেখেছে | Aamar Cindrella 👨💻🌹🍫💝 👩🎨| The Untold Feelings
ধন্যবাদ ওই Site টাকে যে Tiktok এর অনেক ভিডিও, বিশেষ করে আমাদের ভিডিও নিজের সাইট এ আপলোড করে রেখেছে | Aamar Cindrella 👨💻🌹🍫💝 👩🎨| The Untold Feelings
Hi My Sweet Dear Best Friend,
Bangalore Best Drawing Teacher,
Aamar Cindrella 👩🎨🌹🍫💝,
কেমন আছো তুমি?
পূজো কেমন কাটলো গো?
আশা করি রাধা কৃষ্ণ ভগবান এর কৃপায়, তুমি এবং তোমার পরিবারের সবাই ভালো আছে, সুস্থ্য আছে।
ভালো থাকো তুমি আর তোমার পরিবারের সবাই রোজ,
এটাই প্রার্থনা করি সারা জীবন।
ওগো কাল কাকিমা কে দেখলাম,
পুরো তোমার মতই দেখতে।
কাকুকেও দেখলাম, একটু যেন রাগি রাগি,
যেমন তুমি রেগে গেলে তোমার মুখটা রাগি রাগি দেখায়,
ঠিক তেমনি, ভালো লাগলো তোমাদের সবাই কে একসাথে দেখে 🤗।
তুমি ব্যাঙ্গালোর এখন আর যাও না গো,
ওখানে কেস রোজ বেড়েই চলেছে।
বাড়ি থেকেই তো কাজ এখন,
তাও ব্যাঙ্গালোর গিয়ে কেন শরীর খারাপ করবে,
এখানে থাকো, মা বাবা ভাই বোনের স্নেহ ভালোবাসায়,
তুমি সুস্থ হাসি খুশিতে থাকবে।
ওগো রাধা কৃষ্ণ ভগবান এর ভালোবাসা আর আশীর্বাদে,
রোজ তোমার কিছু না কিছু নতুন কিছু খুঁজে পাচ্ছি।
আজ জানো গুগল আংকেল এর দয়া তে,
Tiktok এর সব ভিডিও গুলো দেখতে পেলাম।
না Tiktok এ না, একটা আলাদা সাইট থেকে,
আমার Aamar Cindrella hash tag থেকে খুঁজে পেলাম,
কত ভিডিও বানিয়েছিলাম তোমার মন জয় করতে,
হাহা পাগলের মতো একের পর এক বানিয়ে চলেছিলাম।
তাও সব গুলো পাইনি শুধু ৪০-৫০ টা আমার বানানো ভিডিও গুলো খুজে পেলাম।
কাল Youtube এ পুরনো কোন ভিডিও আপলোড করবো ভাবছিলাম,
দেখি আমার বানানো Tiktok ভিডিও গুলো,
যেগুলো automatic download হয়ে গেছে,
ওগুলো খুঁজে পেলাম।
রাধা কৃষ্ণ, শিব বাবা, মা দুর্গা, কালি মা, সাই বাবা,
তোমার মিষ্টি সুন্দর হাতে বানানো পৃথিবীর সবচেয়ে সুন্দর মন্দির,
যেটা চোখ বন্ধ করলেই দেখতে পাই,
সেটা খুঁজে পেলাম, এক দুটো আমাদের বন্ধুত্ব এর ভিডিও পেলাম।
ওগো কত দিন হলো, তোমার ছোট্ট বাচ্চা সেজে ভিডিও বানানো ভিডিও নতুন দেখিনি গো,
একটা বানাও না গো,
ইনস্টাগ্রাম ইউটিউব কোথাও আপলোড করো।
তোমাকে খুব দেখতে ইচ্ছে করছে।
রাস্তায় কাল চলছিলাম,
মনে হলো যেন তুমি পাশে আমার হাত ধরে চলছ,
জানিনা এটা রোগ না ভালোবাসা না অন্য কোন কিছু,
ভাবিনি যে এমন কিছু হতে পারে,
তুমি বলছিলে, কি হলো কি দেখছ এমন করে!
আমি কিছু বললাম না।
তুমি মুচকি মুচকি হাসছিলে,
যেমন painting exhibition এ মুচকি মুচকি হাসছিলে পিছনে বসে,
আমার মাথা নাড়া নো দেখে।
উফ্ সেই দিন টা কখনো ভোলা যাবে না বন্ধু আমার ❤️🥰,
মুখে যেন একটা মিষ্টি হাসি এনে দেয়।
একটা thanks বলতে ইচ্ছে করছে ওই site টা কে,
যে আমার সব ভিডিও গুলো নিজের সাইট এ আপলোড করেছে।
হাহা জানতাম না এত famous হবে আমার শিব বাবা ঠাকুর ছবি আঁকা ফটোর ভিডিও গুলো 😅😅😅।
অনেক কথা বলতে চাই তোমাকে,
কিন্তু সময় নেই, এখনও কিছু জনের পেমেন্ট বাকি আছে।
রোজ ২-৩ জনের পেমেন্ট করছি।
কি করবো সব কিছু নিজেকে সামলাতে হচ্ছে,
সেই জন্য সময় বেশি লাগছে।
নিজেই এখনও কারু কাছ থেকে পেমেন্ট নিইনি।
কাজ যেন বন্ধ হয়ে গেছে এক মাস ধরে পুরো।
দেখো আর লাইক কমেন্ট করিনি,
না আবার যদি মন খারাপ করে,
ভালো লাগছে না আর রোজ রোজ এসব করতে,
অনেক সমস্যাই আছি।
হাতে দুটো মাস সময়,
কিভাবে টার্গেট achieve করবো জানিনা।
অফিস বানানোর কাজ শুরু হয়ে গেছে,
পেন্টিং হয়ে গেছে, অফিস ডেস্ক বানাবো কিরকম ওটা ভাবছিলাম।
কিন্তু ৫ জনের বসার মত বানিয়ে ফেলেছি।
জানো গো, বাড়ি টে সব ঘর বানানো রঙের কাজ সবের দায়িত্ব দাদা নেই,
তাই আমাকে কোন দিনও কিছু দেখতে হয়নি।
এবারেও মন এত খারাপ ছিল বাড়ি এসে এসে শুধু তোমার চিন্তায়,
যে কিছু করার মন ছিল না।
কত কথা শুনলাম মা দাদা সবার কাছ থেকে।
কি করবো, বাঁচতে হবে যে।
সুইসাইড এসব তো কাপুরুষ রা করে থাকে।
আমি তো তোমার স্বপ্ন পুরন করব,
তোমার স্বপ্ন, আমার একদিন Microsoft এর মত বড় কোম্পানি হবে।
আমি এটা করে দেখাবো, দেখবে গো।
১০০ টা কোম্পানি বানাবো তোমার নামের প্রথম অক্ষর দিয়ে।
জানি সময় টা খুব খারাপ চলছে,
তাই নিজেকে বাঁচতে হবে।
অনেক জায়গা থেকে অনেক সমস্যা।
জানিনা কে, তোমার নামের প্রথম অক্ষর দিয়ে বানানো কোম্পানি টে, one star ⭐ করে দিয়েছে,
চিনিও না কে ওটা, রাইটার্স তো নয়,
তাহলে কে ওটা,
Clients ও নয়।
বলছি তো দেখবে, যারা মিথ্যে মিথ্যে কারু নাম খারাপ করতে চাই,
তাদের ভগবান কি করবে একদিন দেখবে।
আমি সবার ভালো করার চেষ্টা করি,
সবার সাহায্য করেছি,
যে আমাকে কষ্ট দেয়, নাম খারাপ করার চেষ্টা করে,
তাদের ভগবান দু বছরের মধ্যে কি করবে তুমি দেখবে।
আমার শরীর খারাপ এর সময়,
আমাকে বন্ধুরা ওদের ফ্ল্যাট থেকে বের করে দিয়েছিল,
কারন শরীর খারাপ এ আমাকে ওদের সাথে রাখতে চায়না।
তখন প্রথম ঘর এসেছিলাম,
তাও আবার Plane Crash হতে হতে বেঁচে,
মৃত্যুর মুখ থেকে বেরিয়ে ঘর পৌঁছে ছিলাম।
প্রথম বার একাই ফ্লাইট এ চাপা,
প্রথম বার শুনছিলাম এভাবে Life Jacket পরতে হয় ওসব,
আর কে জানতো যে সত্যি সত্যি Life Jacket পরতে হবে।
প্রবল ঘূর্ণি ঝড় এসেছিল,
পুরো plane টা ঝড়ের কাবুতে ঘুর পাক খাচ্ছিল।
এখনও মনে আছে, কি রকম একবার একবার plane টা নিচে নেমে যাচ্ছিল,
সব ছোট ছোট বাচ্চা গুলোর কান্না বন্ধ হয়ে পুরো চুপ হয়ে গেছলো,
সবাই ঠাকুরের নাম করছিল।
সত্যি First Flight Experience Spicejet এ সত্যিই খুবই ভয়াবহ,
আর যেন এটা সারা জিবন মনে থাকবে।
তিন মাস পর শুনছি, ওদের এমন শরীর খারাপ হয়ে ছিল,
যে বলছে,ভাই ক্ষমা করে দিস আমাকে,
Meine tumko ustime pe nikal diyatha,
Isliye Allah ne mere sath yehsa kiya,
3 mahina bed se uth nhi payaatha...
তোমার ওই বন্ধু টা আমার নামে মিথ্যে অপবাদ দিয়ে,
তোমার থেকে আমাকে দূরে করে দিল।
তাই হতে পারে, সেই জন্য হাত পা ভেঙ্গে ছিল।
তাই সব সময় মানুষের ভালো করার চেষ্টা করতে হয়,
যদি কেউ কারু সাথে ভালো সম্পর্ক হয়ে থাকে তো,
তো জ্বলে গিয়ে ওদের মিষ্টি বন্ধুত্ব ভাঙতে নেই,
না হলে ঠাকুর কখনো ক্ষমা করবেনা,
যাকে বিনা কারনে কষ্ট দেয়।
তাই কাউকে ঠকাতে নেই,
না কারো বন্ধুত্ব সম্পর্ক ভাঙতে হয়,
না কাউকে কষ্ট দিতে হয়।
বাড়িতে সেদিন বলছে বিয়ের কথা,
বললাম এখন না ২০২৪ এ করবো বিয়ে।
নিজেকে স্ট্যাবল হতে হবে ভালো ভাবে।
যদি তোমার মত মিষ্টি স্বভাবের কোন মেয়ে পাই,
তাহলে আগে বিয়ে করবো,
যাকে দেখে তোমার মত সরস্বতী দেবীর আসনে বসিয়ে পুজো করতে ইচ্ছে করবে,
তাকেই বিয়ে করবো নাহলে না।
কি বলতে বলতে কি কি বকছি,
বলছিলাম কাল নিজে থেকেই অফিস ডেস্ক বানানোর জন্য সরঞ্জাম নিয়ে এলাম।
কত কিছু দরকার থাকে কিছু বানাতে হলে।
Ply, fevicol, পেরেক, white sunimica
দরকার ছিল, সব নিজে গিয়ে কিনে এনে অফিস রুমে নিয়ে গেলাম।
দাদা বলে, কোন কাজ ই ছোট নয়,
কেউ যদি চাষ করছে, তো ভাবনা ওটা ছোট কাজ,
ওখান থেকে ও অনেক কিছু শিখতে পারবে তুমি।
ওই ছোট্ট কাজ টা দেখেই ওই কৌশল টা,তুমি কোন বড় কোন জায়গা তে লাগাতে পারবে।
তাই যদি কেউ কিছু শিখাচ্ছে তো ওটা মন দিয়ে দেখতে হয়,
যদি কোথাও কিছু ছোট্ট কাজ হচ্ছে তো,
ওটাকে দেখতে হয়, ভাবনা যে ওটা শিখে তুমি চাষি হবে, চাষ করবে,
ওটাই মস্ত বড় কাজে লাগানো যাবে।
অনেক কথা বলার আছে কিন্তু যেন ভুলে যাই লিখতে লিখতে,
যেটা লিখবো ভাবি সেটা না লিখে,
অন্য কিছু লিখে ফেলি।
কাল কাজ করে বাড়ি ফিরলাম,
মা বৌদি tv দেখছিলো,
তখন একটা নাটক হচ্ছিল,
রোজ আসার সময় যখন একটু বসি চা খেতে,
তখন একটু আধটু দেখি।
কাল দেখলাম ওই নাটক টায় যে অ্যাকট্রেস বউ টা বলছে ওর দিদি কে,
"জানিস দিদি আজ প্রথম কেউ আমাকে স্পর্শ করলো,
তখন দিদি বলছে কে?
মেয়ে টা বললো, আমার স্বামী।
দিদি টা হাসছিল শুনে।
বউ টা বলছে,আমার শাড়িতে আগুন লেগে যাচ্ছিল,
তখন আমার স্বামী আমাকে বাঁচালো আগুনের হাত থেকে।
বলছে, আমার তো প্রেম কারু কাছ থেকে পাইনি,আমি তো প্রেম খুঁজি।
তোকে তো কত ছেলে ভালোবাসতো।
পাড়ার ছেলে, ওই দীপু দা, আমার স্বামীও তোকে ভালোবাসতো।
কিন্তু আমাকে কেউ ভালবাসেনা, আমি একটু মাত্র ভালোবাসা পাওয়ার জন্য কত সংগ্রাম করছি রোজ রোজ।
আমিও যেন, একটু বন্ধুত্বের ভালোবাসা পেতে দেড় বাঁচার ধরে তোমাকে বুঝিয়ে চললাম।
জানি তুমি ভালোবাসো না আমাকে এখন আর,
নিজের জিবনে খুশিতে আছো, কিন্তু দেখ তোমার এই বন্ধুটা তোমার বন্ধুত্বের জন্য নিজের সম্মান হারিয়ে বন্ধুত্বের জন্য ভিক্ষা চাইলো,
কিন্তু তাও তুমি তাকে ফিরিয়ে দিলে মন ভরে কটু কথা, ভয় দেখিয়ে।
কি করবো, ভালো বন্ধুর জন্য ঠাকুরের কাছে প্রার্থনা করি,
যার সাথে রোজ একটু মনের কথা share করবো,
কিন্তু এই ব্যস্ত জিবনে কার সময় আছে অন্য কারো কথা শোনার।
হ্যাঁ শুধু প্রেমিক প্রেমিকা দের সময় থাকে,
তাদের নিজেদের কথা শুনার,
আর কারু সময় নেই এখন।
তুমি আগে আসতে পড়তে,
ভালো লাগতো, তোমাকে মনের কথা বলতাম।
জানি, মেসেজ এ বলতে পারতাম না,
এখানে তো বলতে পারতাম।
এখন জানিনা আর তুমি আসো না,
তাও আমি লিখে যাই রোজ রোজ।
জানিনা বিশ্বাস আছে, তুমি একদিন আমাকে ক্ষমা করবে,
ভালোবাসবে, fb তে মেসেজ করে বলবে,
চলো সব ভুলে গিয়ে আগের মত কথা বলি।
আর বকবে, আমি যা বলব সেটা তুমি করবে,
যেগুলো আমার পছন্দ নয়, সেগুলো তুমি করবে না।
আমি বলবো, তুমি যা চাইবে গো আমি তাই করবো।
জানিনা কেন এসব লিখতে,
চোখ টা অটোমেটিক ভিজে যাচ্ছে।
কি করবো আমার এই প্রেম ভালোবাসা Aamar Cindrella ডাইরি এর মধ্যে সীমাবদ্ধ হয়ে থাকবে কি,
তোমার মনেও একটু জায়গা পাবো একদিন ।
জানি না গো, কি আছে, কে আসবে জিবনে জিবন সঙ্গী,
তোমার মত কেউ পাবো কি না,
না সারা জিবন একলা থেকে যাবো,
আর নিজের কাজ কেই বিয়ে করে,
তোমাকে চোখ বন্ধ করে বউ হিসাবে দেখে সারাটা জীবন পার করে দেবো,
জানিনা আমি কিছুই।
দেখো আবার মাথায় লাগছে এসব লিখতে লিখতে,
I love you forever my sweet friend,my angel, my Saraswati Devi,my Bangalore Best Drawing Teacher,
আমাকে একটা সুযোগ দিয়ে দেখো,
আমি তোমার মন খুশিতে ভরিয়ে দেবো।
হে রাধা কৃষ্ণ ভগবান, সাই বাবা,
আমার মিষ্টি বন্ধু অ*মিকা র মনের অভিমান রাগ দূর করে,
আমার জন্য একটু ভালোবাসা বানিয়ে দাও,
ওর হৃদয়ে একটু আমার জায়গা বানিয়ে দাও।
আমি ওকে খুব ভালোবাসি।
আর কিছু চাইনা তোমার কাছ থেকে।
ওর সাথে কথা বললেই আমি সব ঠিক করে নেবো।
ক্ষমা করো প্রভু যদি কখনও কোন ভুল করে থাকি তো,
জয়দীপ অ*মিকা কে খুব ভালোবাসে।
অ*মিকা কে বোঝাও, জয়দীপ খারাপ ছেলে নয়,
সে সবার ভালো চাই।
সে তার ভালো চাই সারা জিবন।
সে বলছেনা তাকে ভালোবাসতে, বিয়ে করতে,
শুধু তার বন্ধুত্ব চাই।
সে তার যোগ্য নয়, সে জানে এটা।
সে খুব ভালো মেয়ে।
সে শুধু অ*মিকা কে সারা জীবন ভালোবাসবে,
ওকে খুশিতে রাখবে।
ওগো একটু বোঝ আমাকে গো,
কান ধরছি কখনো তোমাকে কষ্ট দেবো না,
মরে যাবো কিন্তু তোমার হৃদয়কে কখনো আঘাত করবো না।
ওগো বন্ধু সব ঠিক করে দাও,
আবার ভালো বন্ধু হয়ে থাকি।
কাল থেকে লিখছি দু দিন ধরে বসে বসে,
যেন লেখা শেষ হচ্ছে না।
কবে থেকে তোমার নাম টা মুছার চেষ্টা করছিলাম,
৩১৬ টা পোস্ট এ তোমার নাম মুছতে গিয়ে কাল তো সারাটা দিন চলে গেলো,
দুপুর থেকে সন্ধ্যে পর্যন্ত,
ভেবেছিলাম, আজ আমি সব জায়গা থেকে নাম টা মুছবো ই,
অবশেষে তোমার নাম টা মুছে ফেললাম।
আরেকটা গান বানিয়েছি কিন্তু পুরো হয়নি,
তোমার নামের সাথেই বানিয়েছি।
হাহা hindi গান গুলো তে নিজের লাইন যোগ করে বানাচ্ছি।
জানি ভাইরাল হবে না,
কারন ভালো গলা চাই,
আমার তো ভালো আওয়াজ নেই,
তাই সেই গান টা সবার ভালো লাগবে না।
আর এখন তো সব টাকার খেলা।
টাকা দিয়ে ভাইরাল করা হচ্ছে সব কিছুই।
এক দেড় বছরে অনেক কিছু সময় আমাকে শিখিয়ে দিয়েছে,
টাকা ছাড়া কোন কিছুই সম্ভব নয়।
টাকা থাকলেই সব কিছু করা সম্ভব।
আমার একটা বন্ধু ও গান এর কোম্পানি খুললো,
ও অনেক ছোট আমার থেকে,
মোটামুটি ২২-২৪ বছর বয়স হবে,
কিন্তু টাকার দ্বারা দারুণ একটা গান বানালো।
নিজের ভালোবাসার গল্প সেই গানের মধ্যে দেখিয়ে দিল।
ওই গান টায় সে শুধু choreography করেছিল,
বাকি গান বানানো, গাওয়া সব বড় বড় মানুষেরা করেছিল।
একটা গান বানাতে ১-২ লাখ টাকা খরচা করলো।
হুম্ মাসে যারা ১০-২০ লাখ টাকা কামায়,
তাদের কাছে এসব করা খুবই সহজ।
আমি তো টাকা কামানো ছেড়ে দিয়েছি,
নিজেকে বাঁচিয়ে রাখ ছি কোন করে,
ডিপ্রেশন কাটাতে সময় লাগছে যেন এখনও।
তুমি বলেছিলে, তোমার টার্গেট পূরণ করবে,
দেখবে আমি তোমার হয়ে যাবো।
কিন্তু এখন যেন ভয় লাগছে, টার্গেটের ধারে কাছে নেই,
কি করবো তোমার সাথে কথা বলতে খুব ইচ্ছে করছে,
মন ভালো নেই, নিজের রুমে এলেই তোমাকে ভাবা ছাড়া আর কিছুই যেন মাথায় আসেনা।
সকালে ঘুম ভেঙে তোমাকে না দেখলে যেন দিন শুরু হয় না আমার।
আজ জানিনা কি দেখলাম,
মনে হলো যেন বিয়ে হয়ে গেছে,
বিয়ের পর যেন আমি শুয়ে আছি,
আর যেন বউটা উঠে গেছে সকাল সকাল,
আর আমি বলছি, এত সকাল সকাল কেন উঠেছ, ঘুমো না।
যেন বলছে, আমার কাজ নেই কি, স্কুল যাওয়ার নেই কি?
আমি বললাম, স্কুল টা তো তোমার,তুমিই তো মালিক,
তাহলে কেন এত ভাবছো।
যেন সে বলছে, আমার ছোট বাচ্চা দের সাথে থাকতে ভালো লাগে,
ওদের কে আমি ছবি আঁকতে নিজ হাতে শেখাতে বেশি ভালো লাগে।
আমি বললাম, বাহ্ ভালো ভালো।
আমাকে তো শেখালে না কোন দিনও।
সে বলছে, তুমি খুব দুষ্টু।
জানিনা কে ছিল, কাজে দেখলাম চোখ বন্ধ করে,
সেটা কি তুমি ছিলে না অন্য কেউ জানি না।
কিন্তু ভালো লাগলো, এই সকালের চোখ বন্ধ করে দেখা এই স্বপ্ন না মনের ভ্রম।
যাই বা ছিল, বেশ মিষ্টি ছিল কিন্তু 🥰।
যাই মোটা মুটি ৫-৬ ঘণ্টা ধরে বসে বসে লিখছি,
যেন এখন ও মনে হচ্ছে, তুমি সাদা জামা টা পরে,
আমাকে দেখছ আর মুচকি মুচকি হাসছো।
ফিরে এসো বন্ধু, সারা জীবন তোমার ডান হাত হয়ে ভালো বন্ধু হয়েই থাকবো।
ভালো থেকো খুশিতে থেকো বন্ধু,
তোমার মুখের মিষ্টি হাসি যেন সারাদিন থাকে।
ওগো ইউটিউব এ কিছু ভিডিও আপলোড করো।
দুই সপ্তাহ পেরিয়ে গেল, একটাও ভিডিও দাও নি আর।
জানি বানাতে সময় লাগে, কিন্তু যেটা করছো,
সেটা ৫-১০ বছর পর অনেক বড় জায়গায় পৌঁছে যাবে।
আর লিখছিনা আজ আর,
সুস্থ থেকো ভালো থেকো খুশিতে থেকো সারাদিন ❤️।
#tiktok #tiktokcompetition #tiktokcompetitor #tiktokvideodownloadedsite #aamarcindrella #cinderella #joycindrella #sweetstory2020 #lovestory2020 #LovestoryChallenge #bengali #youtubechannel #spicejet #flightexperience #target #achievement #microsoft #bestfriendshipstory #দুর্গা #dreamwife #dreamgirl #bengalifestival #bengaluru #facebookpost #GoogleNews

Comments
Post a Comment