Aamar Cindrella Aamar Anamika Romantic Photos 2025
জিবনটা যেন আমার মুভি নাটক যা নেই যেন আর আমার নিয়ন্ত্রণে | Cinderella Bengali Story 2020 | The Untold Story!
জিবনটা যেন আমার মুভি নাটক যা নেই যেন আর আমার নিয়ন্ত্রণে | Cinderella Bengali Story 2020 | The Untold Story!
সুপ্রভাত আমার মিষ্টি অ*মিকা,আমার বেস্ট সুইট কিউট বিউটিফুল সব কিছুতেই পারদর্শী কষ্ট সহিষ্ণু বন্ধু,
আমার জীবনের Cinderella,
আমার সরস্বতী দেবী,
আমার Shirley Setia Melody Queen ❤️,
আমার Best Tiktok Actress,
আমার Best Bangalore Drawing Teacher,
আমার স্বপ্নের রাজ্যের রাজকুমারী পরী 🌹🥰,
আমার চোখ বন্ধ করলে দেখতে পাওয়া লাল বেনারসি শাড়ি পরে সিঁথিতে সিঁদুর লাগিয়ে মিষ্টি গোলাপের পাপড়ির মত ঠোঁটে হাল্কা লিপস্টিক লাগানো বউ যে আমার দিকে তাকিয়ে মুচকি মুচকি হাসে সেই আর্ট এক্সিবিশন দিনের মত🥰😌🤗,
তুমি সারাদিন খুশিতে থাকো,
তোমার মুখের মিষ্টি হাসি যেন সারাদিন থাকে,
তুমি রোজ ড্রইং করো,
আমি রোজ appreciate করবো।
খুব বড় স্কুলে চাকরি পাও একদিন।
তোমার নিজের একটা আর্ট স্কুল হয় একদিন ❤️😊।
🌅☕🍪🥪👘💍🥻💄👜☔☂️👓🥿
🍚🍗🐣🐔🐟💅🌹🍫💝🍭🍭🍭🍬🍬🍬
👗⌚🍫🍫🍫👜🥤🍹👠🥞🥐🏩🏍️🚴♀️🚖🚘🤑💸💸💸💷💶💵💴💳💲💱💰🏧💃🌹💝🎅💝💐💐💐🎁🎁🎁🌯🌭🍧🍨🍲🍱🍳😊😊😊🥰🥰🥰🥰🤗🤗🤗😘😘😘
Love Letter তো কাউকে দিইনি,
এখান থেকেই তোমাকে রোজ লাভ লেটার দিই।
এই লেখাটা যখন তোমার ইনবক্সে লিখতাম,
তুমি জাননা আমি কত টা শান্তি অনুভব করতাম।
কত টা মন ভালো লাগতো।
এখন এখানে লিখেই ভাবি এটা তোমার হৃদয়ের ইনবক্স এ লিখছি।
এটা লিখেই ভালো থাকি।
তুমি যদি সত্যি ভালোবাসতে,
তাহলে তোমাকে এভাবে খুশিতে রাখতাম,
যেরকম এখানে তোমাকে সকাল,দুপুর,বিকেল, সন্ধ্যে, রাত এ তোমার যা যা দরকার,
সব তোমাকে দিলাম এখান থেকেই।
তোমার জন্য খাবার,জামা, শাড়ি,চুরিদার, সালোয়ার কামিজ, নাইটি, ঘড়ি, আংটি, সাইকেল, বাইক, ঘর, টাকা পয়সা, খাবার সব কিছু এখান থেকেই তোমাকে উপহার করলাম আমার চোখ বন্ধ করলে দেখতে পাওয়া বউ মনি 🥰🤗।
কাল ঠাকুরকে বলেছিলাম আমার Cindrella কে স্বপ্নে এনে দাও,
সত্যি তোমাকে আবার দেখলাম।
কাল আমাকে আবার বলছিলে মনে হয়,
জানিনা কেন কিন্তু বকছিলে খুব,
ওগো তোমার বকানির মধ্যে ভালোবাসা লুকিয়ে রয়েছে।
এখানে লিখছি তো মন যেন ভালো থাকে,
চোখ টা বন্ধ করছি তো তোমার হাতে বানানো মন্দির টা দেখতে পাচ্ছি।
কি সুন্দর নিজের গণেশ,দুর্গা মা, স্বামী বিবেকানন্দ, সারদা মা,রাধা কৃষ্ণের কি মিষ্টি মন্দির টা বানিয়েছ।
ওগো যদি পারতো তোমাকে ওই মন্দির টার ভিডিও একটা বানিয়ে ইউটিউব এ আপলোড করো না সোনামনি।
কাল রাতে কাজ করতে পারলামনা,
ঘুম পাচ্ছিল খুব, দুপুরে দোকানে(শোরুম) ছিলাম,
তাই কালকে লিখে ১টা ১:৩০তেই ঘুমিয়ে পড়েছি।
কখন সকাল ৬:৩০ থেকে লিখছি,
শুধু উইশ করতে আধ ঘন্টা সময় লেগে যায়,
কাল তাও দুজনের কাজ থেকে ২০০০০টাকা পেলাম,
এখন ৫০ জনের কাছ থেকে ছোট ছোট পেমেন্ট নেওয়া বাকি আছে,
বাড়ি এসে এখন ৫০-৬০হাজার টাকা সেভ হচ্ছে,
প্রথমে ওই ফালতু দুটো ম্যানেজার যে তোমার নামের কোম্পানি কে গালি দিয়ে যা ইচ্ছে লিখে চলে গেল,
ভগবান সাথে আছে, তাই আমার কথা টা শুনলো,
ওই দুজনকেই ৩০ হাজার টাকা দিতে হতো।
এখন সেটা বাঁচে, ঘরের ৯০০০ টাকা বাঁচে,অফিস স্পেসের ১৩০০০ টাকা,
আসা যাওয়া ৩০০০ টাকা, ওখানে লাঞ্চ চা খাওয়া নো আরও ৪০০০ টাকা, নিজের খাবার দুধ dry fruits এসব ধরে নাও ২০০০টাকা,
তাহলে একটা ভালই saving হচ্ছে,
হুম্ কাজ কম নিচ্ছি,
ভাবছি রাইটিং e 3-10x profit ছিল,
কিন্তু যারা ভালো জায়গায় পৌঁছে গেছে,
তারা 10-200x profit নিয়ে চলে।
তাহলে তোমার স্বপ্ন টাকে পুরন করতে পারবো,
তোমার জন্য Microsoft বানিয়ে দেখাতে পারবো 🥰😘🏢,
আর তোমাকে উপহার দেবো,
যেমন মুমতাজের জন্য সম্রাট শাহ জাহান তাজমহল বানিয়ে ছিল,
ঠিক তেমনি তোমার জন্য আমি Microsoft বানিয়ে তোমাকে তার CEO বানাব।
যদি রাধা কৃষ্ণ ভগবান তোমার হৃদয়ে আমার জন্য একটু ভালোবাসা বানিয়ে দেয়,
তাহলে আবার ভালো বন্ধু হয়ে থাকি,
তো একদিন তোমাকে সত্যি বানাবো,
যদি তোমার বিয়ে না হয়ে থাকে তো।
ওগো ঠাকুর কে প্রে করবে,
যেন তিনি আমাদের দুজনের এই স্বপ্ন টাকে পুরন করে।
আমার একটা ইচ্ছা আছে,
সারাদিন তোমাকে বসিয়ে দেখব,
তোমার এই চোখ দু খানিতে তাকিয়ে থাকবো,
তোমার পুজো করবো যেমন শ্রী কৃষ্ণ রাধার পুজো করে ছিল,
তোমার মিষ্টি সুন্দর পা দুটো এক থাল গোলাপ জলে রেখে পা দুটো ধুয়ে দেব।
জানিনা কি বলছি আমি,
কিন্তু তোমাকে খুব ভালোবাসা দেবো,
রাধা কৃষ্ণ ভগবান আমার রাধার মনে একটু ভালোবাসা সঞ্চারিত করে দাও আমার জন্য,
ও যেন আমাকে ভালোবাসে।
আজ finally গান টা বানালাম,
অনেকদিন থেকে লিখে রেখে ছিলাম।
আজ সেটা ইউটিউবে ছাড়লাম,
ফেসবুক এ ছাড়লাম।
না ওই পেজ টা তে নয়,
অন্য একটা পেজ এ দিয়েছি।
সেখানে কারু লাইক নেই,
তাই কেউ কিছু দেখতে পারবে না।
কোন বন্ধু কে দেখাতে চাই না,
এটা আমার ডাইরি,
এটা শুধু তোমার দেখার অধিকার আছে,
আর কারুর না।
একদিন তুমি দেখবে,
আমাকে বুঝবে, ভালোবাসবে,
আবার ভালো বন্ধু হবো একদিন।
সেই দিন টার অপেক্ষায় আছি কবে থেকে।
আজ lockdown, তাই সারাদিন ঘরে থাকতে হবে।
ওগো আমার এঞ্জেল অ*মিকা,
কোথায় হারিয়ে গেছো তুমি গো,
তোমাকে খুব ভালোবাসি বন্ধু,
দু মিনিট একটু কথা বলো না।
Good Evening Aamar Cinderella 🌹🍫💝🥰😘,
আজ এখন যেটা লিখতে যাচ্ছি,
তুমি ভাববে আমি বানিয়ে লিখছি বা মন গড়ন আমি বলছি,
কিন্তু আমি ও জানিনা এসব কি দেখছি,
যেন একটা নাটক, আজ এটা দেখলাম,
তার পরের দিন এটা হচ্ছে,
জানিনা কি এসব, কেনই বা দেখছি,
যেখানে জানিনা কোন দিনও তুমি কথা বলবে কি না!
তাও কেন এত কিছু দেখছি।
যদি কোন দিনও পড় তো,
প্লিজ আবার রাগ করবে না।
এটা আমার ডাইরি তে লিখছি,
তাই ভাবিনা এসব পড়ে মন খারাপ হবে।
চলো অনেক হলো,
আজ বিকেলে শুলাম একটু ৪:৩০টা র দিকে,
জানিনা চোখ বন্ধ করতেই দেখছি আবার তোমাকে,
সেই একই সাজে,
নতুন বউ এর মত লাল বেনারসি শাড়ি পরে,
সিঁথি তে সিঁদুর, কপালে টিপ আর কপাল থেকে গাল পর্যন্ত সাজানো,
সিঁথিতে একটা সোনার সিঁথি পরে,
চোখে কাজল নিয়ে,
মিষ্টি গোলাপের পাপড়ির মত ঠোঁটে লাল লিপস্টিক লাগিয়ে,
নাক থেকে কান পর্যন্ত একটা সোনার নাকের আর সেটা কান পর্যন্ত বাঁধানো,
কান এ একজোড়া সোনার কানের দুল, সেই দুলে যেন হীরা লাগানো ছোট্ট একটা,নাকের টাতেও ছোট্ট একটা হিরার পাথর লাগানো,
যার জন্য তোমাকে আরও সুন্দর যেন দেবী লাগছে।
গলার সোনার নেকলেস, হার,
হাতে চুড়ি, মেহদী এঁকেছ হাতে,
পায়ে আলতা পরে বসে আছো,
আর আমার দিকে তাকিয়ে মুচকি মুচকি হাসছ।
আজ জিজ্ঞেস করলাম, তুমি হাসছো কেন?
তুমি এখানে কেন বসে আছ?
তোমার বিয়ে কার সাথে হয়েছে?
আর বিয়ে হলে এই বিয়ের সাজে আমার বেডরুমে কেন তুমি?
আমি যেন বোকার মতো প্রশ্ন করেই চললাম,
তুমি চুপচাপ শুনছো আর হাসছো।
আমি তোমাকে আবার বললাম,
কি গো হাসছো কেন?
আমার প্রশ্নের উত্তর দাও।
কিছু ক্ষণ পর তুমি বলছো,
কেন তুমি জানো না,
তুমি কি সত্যি জানো না।
আমি বললাম, না।
তুমি বলছো, এই সাজে একটা মেয়ে কখন থাকে?
তুমি কি জানো না?
আমি বললাম, হুম্ বিয়ের দিন যেদিন তার বিয়ে হয়।
তুমি বলছো,তাহলে আমি তো তাই সেজে আছি।
আমি বললাম, বুঝলাম না কিছু।
আমার মাথায় লাগছে, তুমি সত্যি বল।
তুমি বললে: তুমি নিজেই তো সব উত্তর দিলে।
আমি বললাম: মানে আমার কি তোমার সাথে বিয়ে হয়েছে?
কি বলছ এসব, আমি তোমাকে ভাবি,
ভালো বন্ধু হয়ে, ভালোবাসি নিজের জীবনের চাইতে বেশি।
কিন্তু আমরা তো কথা বলতাম না,
তাহলে বিয়ে কখন কি ভাবে হলো।
প্লিজ বলো না এসব।
আমি সারা জিবন তোমার ভালো চেয়ে এসেছি।
কিন্তু আমি তোমার যোগ্য ছিলাম না।
তুমি যার সাথেই বিয়ে করো সুখীতে থাকো, এটাই চেয়ে এসেছি।
হুম্ তোমাকে আগেও বলেছি,
এজনমে তোমার যোগ্য না হলেও,
পরের জন্মে আমি তোমার যোগ্য হয়ে তোমার ডান হাত হয়েই তোমাকে সারা জিবন খুশিতে রাখবো।
কিন্তু এর চাইতে বেশি চাইনি।
তোমার খুশিতেই আমি খুশি।
তাই তুমি যখন বললে,তার পর থেকে তোমাকে কোন দিনও মেসেজ করিনি।
তুমি তখন হাসছো আর বললে:
বাব্বা আমাকে এত ভালোবাসো, আমার খুশির জন্য নিজের ভালোবাসা হাসি ত্যাগ করে শুধু আমার ভালোর প্রার্থনা করো।
আমি কি করে সেই মানুষ টা কে ছেড়ে দিতে পারি।
যে আমার খারাপ টারও প্রশংসা করে আর ভালোর ও,
তাহলে ওকে জিবন থেকে আমি কি করে বের করে দিতে পারি।
যে আমার জন্য রোজ চোখের জল ফেলেছে,
ঠাকুরের কাছে প্রার্থনা করেছে,
তাকে আমি কি করে ছেড়ে দিতে পারি।
আমি: তাহলে আমি কেন কোন কিছু মনে করতে পারছিনা?
আমাদের সব ঠিক কখন হলো?
বিয়ের কিছুই মনে নেই।
আমার মাথা লাগছে তোমার মত।
প্লিজ সত্যি বলো।
তুমি: তুমি ভগবান কি বলতে সব ভালো করো,
তুমি মানুষের ভালো করেছ,
ভাবো এটা একটা চমৎকার,
আমি বললাম, তুমি যাকে ভালোবাসো তাকেই বিয়ে করা উচিৎ,
তুমি বললে, তোমার ত্যাগের কাছে আমার ভালোবাসা কিছু না,
আমি বললাম, না, তুমি আমার Cindrella, আমার দেবী, তুমি সারাজীবন দেবী হয়েই থাকবে।
তারপর আমি তোমার পা ধরে প্রণাম জানালাম।
তুমি বলছো, এ কি পাপ করছো, তুমি বয়সে বড় আর এখন তুমি আমার জিবন সঙ্গী,
আমি বললাম: না তুমি যাকে ভালোবাসো, তার কাছে যাও।
আমি তোমাকে আমার ত্যাগের তোমার নিজের ভালোবাসা ত্যাগ করতে দেবনা।
তুমি: দোহাই তোমাকে, এরকম কথা বলোনা।
আমি: না, তুমি আমাকে ভালোবাসো না তো।
তুমি: না তোমাকে যেদিন থেকে আঘাত করেছি,
সেদিন থেকে তোমার চাইতে বেশি আমি নিজে কষ্ট পেয়েছি।
আমি বললাম, না তুমি মিথ্যে বলছ।
তুমি বলছো, যদি মিথ্যে বলতাম, আজ কে এই সাজে তোমার কাছে থাকতাম না।
আমি বললাম: আমার কেন কিছু মনে পরছেনা।
তুমি বলছো: চমৎকার এটা, বেশি ভাবনা, ঈশ্বরের দান।
আমি বললাম: এটা মুভি নয়, এরকম চমৎকার হবে।
তুমি বললে: তাহলে, আমাকে ছুয়ে দেখ, আমি কি কল্পনা না বাস্তব।
তুমি আমার হাত টা ধরে নিজের গালে ছোয়ালে।
আমি বলছি: এটা কি করে সম্ভব।
সত্যি আমার মাথায় লাগছে গো, খুব ব্যাথা করছে।
তুমি বললে: এসো আমার কোলে তোমার মাথা রেখো, তোমার সব ব্যথা দূর হয়ে যাবে।
তুমি আমার মাথা টা তোমার কোলে রাখলে।
আমি যেন একটা শান্তি অনুভব করলাম। যেন মনে হলো, মা এর কোলে মাথা রাখতাম যেমন ছোট তে, এখনো কখনো কখনো।ঠিক তেমনি লাগছিল। তুমি আমার কপালে হাত ঘুরিয়ে দিচ্ছিলে।
আমি বললাম: তোমাকে যেন মায়ের মত লাগছে, মা এর কোলে মাথা রাখলে সব চিন্তা সব দূর হয়ে যেত ঠিক তেমনি লাগছে।
আজ রাধা কৃষ্ণ ভগবান কি কোটি কোটি প্রণাম জানাচ্ছি,
যাকে ভালোবাসি তাকে এত কাছে পেলাম।
তুমি খুশির চোখের জল ফেলছ,
তোমার চোখের জল আমার মুখের উপর পড়লো।
আমি বলছি, কি হলো, কাঁদছ কেন?
তুমি বললে, এটা কান্না না, এটা আনন্দের জল।
আমি বললাম: তাই।
তুমি বললে: হুম্ আর কপালে একটা কিস করলে।
আমি বললাম: আমার একটা ইচ্ছা আছে, তুমি কিন্তু না করতে পারবে না।
তুমি যদি আমার ডাইরি টা পড়েছ তো তোমার মনে পড়বে।
তুমি: কি?
আমি বললাম: দাড়াও।
তার পর জানিনা ঘরে একটা গোলাপ ফুলের জল কেটায়।
আমি ওটা পুরো ঢেলে একটা গামলায় গোলাপ ফুল আর জল ঢেলে তোমাকে বললাম,এটায় পা রাখ।
তুমি বলছো: কেন
আমি বললাম: রাখো না।
তুমি রাখলে আর তোমার পা দুটো ওই গোলাপ জলে ধুয়ে দিচ্ছিলাম।
তুমি: একটু মুচকি হাসতে হাসতে বলছো, আচ্ছা মনে পড়েছে, কৃষ্ণ যেমন রাধার পা দুটো ধুয়ে দিচ্ছিল তেমনি করছো তো।
আমি বললাম, হ্যাঁ।
তুমি তো আমার রাধা।
তুমি বললে: ঠিক আছে, তাহলে এবারে তুমিও রাখো আমিও ধুয়ে দেবো।
আমি বললাম, না তোমার স্থান আমার হৃদয়ে, দেবীর আসনে।
তার পর তোমার পায়ের পাতায় আঙ্গুলে করে সুর সুর দিচ্ছিলাম।
তুমি তখন হাসছিলে আর বলছো: এটা কি করছো।
আমি বললাম: কি?
তুমি বলছো: সুর সুর দিচ্ছ কেন।
আমি বলছি: কেন কি হলো।
তার পর আরও বেশি বেশি সুর সুর দিচ্ছি।
তুমি বলছো দেখো এরকম করলে না ভালো হবেনা।
আমি বলছি, কেন কি করবে।
তার পর পায়ের পাতা থেকে হাল্কা একটু পায়ের উপরে আরো সুর সুর দিচ্ছি।
তুমি পুরো রেগে গেলে আর আমার গামলার জল টা নিয়ে দিলে ঢেলে আমার উপর।
আমি: পুরো ভিজে গেছলাম।
তুমি: জোরে করে হাসছো।
আমি: তোমার দিকে রেগে রেগে তাকিয়ে আছি আর তোমার মিষ্টি হাসিটা দেখে খুশিও আছি।
তার পর আমিও রেগে দিলাম একটা বালতি জল ঢেলে।
দুজনে পুরো ভিজে গেছি।
তুমি রেগে গেছ আর আমি হাসছি।
আমি যখন কাশ ছিলাম, তুমি বলছো, আহা কি মজা ভেজালে দেখো তোমার সর্দি হবে।
তার কিছু ক্ষ্মণ পর তুমিও কাসতে শুরু করলে,
আমি ও হাসছি তা দেখে,
আমি গামছা নিয়ে তোমাকে মুছিয়ে দিচ্ছিলাম,
বললাম সরি, তোমার সর্দি ধরাতে চাইনি।
তুমিও আরেকটা গামছা নিয়ে আমাকে মুছিয়ে দিচ্ছিলে।
বললে, না এটা ভালোবাসা।
আমি তোমার কপালে একটা কিস দিলাম আর তুমিও দিলে।
যাই মা ডাকছে, পরে লিখবো।
সত্যি কি এসব দেখছি।
যেটার ১% সত্যি হবে কি না জানিনা।
কেন তোমাকে রোজ দেখছি।
আমার মন খুশি কিন্তু মাথা টা ধরে আছে,
পরে বলবো কি হলো তার পর।
রাধা কৃষ্ণ ভগবান আমার মিষ্টি বন্ধু কে ভালো রেখো সারা জিবন।
আমি এই সব কিছু চাইনি এই জিবনে,
তাও যে দেখলাম অজান্তে কেন জানিনা।
শুভ রাত্রি আমার জীবনের Cindrella,
তোমার খুশিতেই আমি খুশি।
তুমি যেখানে যার সাথে থাকো,
যেন খুশিতে থাকো।
এটা তো একটা স্বপ্ন,
স্বপ্ন কি বাস্তব হয়,
অনেক কম মানুষের হয়।
যেমন প্রথম স্বপ্ন তোমাকে নিয়ে দেখেছিলাম আগের বছর,
তুমি বেস্ট টিচার এর পুরস্কার পেলে,
তোমাকে দেখে আমি হাত তালি দিচ্ছি,
তুমি খুব খুশিতে আছো।
ওটা কিন্তু এই বছরে তোমার সত্যি হলো।
তুমি সত্যি পেলে পুরস্কার।
আর ঠাকুর আমাকে সেটা দেখিয়ে দিল কোন ভাবে,
তার সাথে আরও অনেক ফটো তোমার স্কুলের।
ক্ষমা করবে যদি কোন কিছু তোমার খারাপ লাগলো তো,
আমিও জানি এসব ঠিক না,
কিন্তু জ্যোতিষ বলেছিল একদিন,
তোর জিবন টা যেন একটা মুভির মত।
সত্যি কত কিছু দেখলাম এই কিছু দিনে,
কাউকে ভালোবাসতে গিয়ে, মন ঠিক করতে গিয়ে,
তাকে আমি সবচাইতে বেশি কষ্ট দিলাম।
সবার ভালো করার চেষ্টা করলাম,
তাও কেউ কেউ আমার উপর রেগে উল্টো পাল্টা করলো।
তোমার নামের কোম্পানীর উপর উল্টো পাল্টা লিখলো।
আর সেটাও একটা বাঙালি।
মুভির মত ই আজ এটা হচ্ছে তো তার পরের দিন অন্য কিছু হচ্ছে।
সত্যি আবাক লাগে নিজের,
কি আমি এসব দেখছি, এসব দেখাও যে পাপ।
কিন্তু আমার হাতে যে কিছুই নেই,
সব ঠাকুর যেন লেখাচ্ছে।
আবার এলাম খাবার খেয়ে।
আজকে এখন অনেক দিন পর,
একটা পুরনো বন্ধুর সাথে কথা হলো,
যার নাম তোমারই নাম,
ওই একবার বলেছিলাম না,
যার বিয়ে ১৫ বছর আগে হয়েছিল,
আমরা পাঁচ ছয় জন এর crush ছিল সে,
কিন্তু তার বিয়ে এমন এক জনের সাথে হয়েছিল,
যে কি বলবো আর,
যে ছেলেটা চা এর জায়গায় দিনে মদ্য পান করতো,
জানিনা সে কি করে চালিয়ে নিল।
না দেখতে ভালো না কাজ কিছু করতো,
শুধু তার বাবার বিশাল সম্পত্তি ছিল।
আর কিছু না,সেই দেখে বিয়ে দিয়ে ছিল।
কি করা যায়, সব বিধির বিধান,
কার ভাগ্যে কে আছে,শুধু বিধাতাই জানেন,
আমরা তো তাদের পুতুল মাত্র।
জানিনা তোমার নাম এর যাকে দেখেছি,
তারা খুব মিষ্টি হয় দেখতে,
আর খুবই ভালো স্বভাবের হয়।
আজ ভাবছি সারা রাত কাজ করবো,
আজ মনে হয় ৬০০ টাকা কেউ পাঠিয়ে ছিল advance payment।
এখন সবার সাথে অ্যাডভান্স পেমেন্ট নিয়েই কাজ করবো,
না হলে কাজ করবনা।
এটাই ভেবে নিয়েছি।
তাহলে কোন ঝামেলা নেই।
এটাই করবো পুরো ১০০% অ্যাডভান্স পেমেন্ট নিয়েই করবো,
নাহলে করবো না কাজ।
বেস্ট হবে এটাই।
জানিনা কেন এখানে লিখি,
আর মাথায় বুদ্ধি আসে।
মনে হয় সেই বুদ্ধি আমার বন্ধু দেয় যেন🥰।
আজ ভাবছিলাম কি লিখবো,
কিন্তু আজ যেন ইতিহাস লিখে ফেললাম,
তাও যেন কথার শেষ হয়না।
ওই জানো একটা nail polish এর উপর সাইট বানাচ্ছি,
কারন যেমন অফলাইন এ যার যত জমি আছে,
সে তত বেশি ধনী, তার তত টাকা।
ঠিক তেমনি অনলাইন এ যার যত সাইট আছে,
সে তত বড় ধনী, তার প্রচুর টাকা।
আমার মায়ের মামা দাদু আগে একটা জমি ৩০০০ টাকাই কিনেছিল,
আজ সেটা বিক্রি করলো ৩ কোটি টাকায়।
ব্যাংকে টাকা রাখার চাইতে বেশি বুদ্ধির কাজ,
জায়গা জমি কিনে রাখো।
১০ বছরে, ১০ গুণ দাম হয়ে যাবে পাক্কা।
তুমি যেন খুব বড় জায়গায় পৌঁছাবে,
প্রচুর টাকা কামাবে এটা করবে,
জায়গা জমি কিনে রাখবে,
তোমাকে একটা টিপ দিলাম,
যদি কোন দিনও দেখো তো এটা কাজে লাগবে।
তোমার ভালো সব সময় চাই,
তুমি যেখানে থাকো ভালো থেকো এটাই চাই।
শুভ রাত্রি আমার মিষ্টি বন্ধু,
সুপ্রভাত অ্যাডভান্স এ জানিয়ে দিলাম।
সারা দিন ভালো থেকো,
স্কুল যাবে মাস্ক স্যানিটাইজার পরে যাবে।
খুশিতে থাকো সারা জীবন,
তোমার মুখের মিষ্টি হাসি যেন সারাদিন থাকে 🥰।
ভগবান যদি পারো তো আমার সরস্বতী দেবী কে,
আমার জিবনে বন্ধু হিসাবে ফিরিয়ে দাও,
ওকে আমি খুব ভালোবাসি,
ভাবি আজ চোখের জল বের করবনা,
কিন্তু লিখতে লিখতে তোমাকে ভাবতে ভাবতে বেরিয়ে যায় অটোমেটিক।
🌹🍫💝💝💝🥰🥰🥰😘😘😘

Comments
Post a Comment