Aamar Cindrella Aamar Anamika Romantic Photos 2025
ওই Cindrella👸 দেখো আমিও যেন তোমার মত একটা Art Teacher👨🎨 হয়ে গেলাম | Aamar Cindrella🌹🍫💝
কি লিখি আজ জানিনা, কিন্তু না লিখলে যেন ঘুম হচ্ছেনা।
আজ সকালে আমার ছোট্ট ভাইজি কে ছবি আঁকতে শিখা ছিলাম,আমি তখন তোমার ইউটিউব চ্যানেল টা খুললাম। ওটাতে Teddy bear, cute princess যেন মনে হয় সেটা তুমি, হাঁস টা তোমার ভিডিও দেখে আঁকলাম,কত সহজে তুমি বানিয়েছ কত সুন্দর ছবি গুলো বন্ধু। আমি ওকে বললাম এই দিদিটার মত আঁক, ও বলছে "এত সোজা নয় চাচু। পারবোনা"।
আমি বললাম,চেষ্টা করে দেখ,তখন teddybear টার মুখ টা বানালো আর পালালো। হাহা ছোট্ট খুব ৪ বছর এই,এখন থেকে তোমার মত ভালো ছবি আঁকতে শেখাবো।
আজ তোমাকে না খুব মিস করছি, তোমার আওয়াজ বা তোমাকে ভগবান আবার রাতে স্বপ্নে নিয়ে আসুক,কি করবো জিবনে এখনও তুমিই আছো শুধু। তুমি যতই না আমাকে গালি দাও, বকো, threatening দাও, কি করবো এটা সত্যিকারের ভালোবাসা,যেটা জানিনা কোন দিন যাবে কি না।
একটা সম্বন্ধ এসেছিল,ভালো দেখতে,তোমার মত হবে কিন্তু তোমার মত মিষ্টি না,কিন্তু ভালো।তুমি যেমন লাল শাড়ি টা পরে প্রফাইল পিক লাগিয়েছ, খুবই সুন্দর লাগে দেখতে তোমাকে এটাই, কিন্তু যেমন এটাই সেই মিষ্টি হাসিটা থাকেনা। ঠিক তেমনি ওই মেয়েটাও ছিল,মুখে সেই হাসিটা নেই।
রোজ সকালে ঘুম থেকে উঠে ঠাকুর প্রণাম করে তোমাকে খুঁজি ফেসবুক এ, যদি আজ কিছু ভগবান নতুন কিছু দেখিয়ে দেয়। দিনে এই দুই তিন দিনে ৩-৪ বার খুঁজছি,আবার ভগবান কি বলছি, আমার Cindrella আমার সাথে বন্ধুর মতো কথা বলে আবার।
আবার যেন আমরা ভালো বন্ধু হয়ে যাই।
নিজেকে চেঞ্জ করবো ভাবছিলাম,প্রায় এক মাস সকালে উঠলাম,হাঁটতে যেতাম। কিন্তু যেদিন থেকে তুমি আমাকে বললে,যেন একটা আতঙ্কের সৃষ্টি হলো,বাইরে বেরোতে ভয় লাগতো,কখন তারা এসে যায়,কখন কল এসে যায়। সত্যি খুবই ভয় লেগেছিল।
কিছুদিন তো নিচে খাবার খেতে নামতাম বা কোন কল এলে ভয় লাগতো,সেটাতো ওখান থেকে তো কল টা আসেনি।
খাবার খাচ্ছি,একটা রিং, বাবা আমাকে ডাকছে,যেন ভয় একটা বাসা বেঁধে ছিল, যখনই ভয় লাগতো,ঠাকুরকে বলতাম,প্লিজ ও যেন এমন কিছু না করে বসে। বাইরে পুরুলিয়া যাচ্ছি,কিন্তু রাস্তাতেও যেন একটা ভয়।
যেদিন জানো তুমি আমাকে বলেছিলে,ঘরে খেতে নেমেছিলাম, সেদিন প্রথম চুপচাপ খাচ্ছিলাম।বৌদি তো ধরে নিয়েছে কোন হয়েছে, কোন হয়েছে মনে হয়। আমি খাবার সময় কিছু না কিছু বলি,সেদিন না কিছু বলেই খেয়েছি , আমাকে বলছে যা সমস্যা আমাদের কে বলবে,নিজের মধ্যে চেপে রেখোনা। আমি কিছু না বলে আবার উপরে এসে তোমাকে বোঝাচ্ছিলাম কিন্তু তোমার সেই Threatening এ নিজে খুবই ভয় খেয়ে গেছলাম। সত্যি বন্ধু এখনও পুজোর সময় বলি,আমার Cindrella যেন এমন কিছু করে না বসে যার জন্য ওর নিজের পরিবার আমার আরও দুটো পরিবার যেগুলো পরোক্ষ ভাবে যুক্ত আছে,সবার সম্মান যায়। এখনও ঠাকুর কে এটাই বলি।
ভগবান কে বলি, ধন্যবাদ জানায়, তুমি যা করো ভালোর জন্যই করো, আমাকে যারা কাঁদিয়েছে,তোমার নামে fake account বানিয়ে আমার সাথে কথা বলেছে,যাদের জন্য আমাকে এই ১১-১২টা মাস কষ্ট পেতে হলো,ভগবান যেন সবাই একদিন এই কষ্টটা উপলব্ধি করে। তোমার সারা জীবন ভালো চাইলাম,কিন্তু তুমি আমাকে গালি, অপমান, threatening দিয়ে যেন প্রাণ হাসি সব যেন ছিনিয়ে নিলে। কি করবো,ভালোবাসা জিনিসটাই এমন যে আমাকে রোজ কষ্ট দিয়েছে,ভগবান কে বলি তাকে বড় করো,ভালো রেখো কিন্তু একদিন যেন সে আমাকে বুঝে আর আমার কাছে ফিরে আসে।
২ মিনিট কথা,একটু বন্ধুত্বের আবদার ছিল,তার জন্য কত খারাপ কথা শুনতে হলো তোমার কাছ থেকে,যেন মনে করলে চোখ ভিজে যায়,কান যেন ফেটে যায়, ভয়ও যেন আমার সঙ্গী হয়ে উঠেছে।
তুমি যদি একটা চান্স দিতে অনেক কিছু বদলে যেত। কিন্তু তুমি দিলেনা গো।সেটাই দুঃ খ রইলো, সেই জায়গায় তোমার রাগ, ঘৃণা সহ্য করলাম দিনের পর দিন।
রাত ৩টে ১০ বাজছিল আবার লিখতে শুরু করেছিলাম,আবার লিখলাম।ভাবলাম আবার লিখবো কি, কিন্তু সেই ভয় টা আমাকে লিখিয়ে দিল।
কি লিখি আজ জানিনা, কিন্তু না লিখলে যেন ঘুম হচ্ছেনা।
আজ সকালে আমার ছোট্ট ভাইজি কে ছবি আঁকতে শিখা ছিলাম,আমি তখন তোমার ইউটিউব চ্যানেল টা খুললাম। ওটাতে Teddy bear, cute princess যেন মনে হয় সেটা তুমি, হাঁস টা তোমার ভিডিও দেখে আঁকলাম,কত সহজে তুমি বানিয়েছ কত সুন্দর ছবি গুলো বন্ধু। আমি ওকে বললাম এই দিদিটার মত আঁক, ও বলছে "এত সোজা নয় চাচু। পারবোনা"।
আমি বললাম,চেষ্টা করে দেখ,তখন teddybear টার মুখ টা বানালো আর পালালো। হাহা ছোট্ট খুব ৪ বছর এই,এখন থেকে তোমার মত ভালো ছবি আঁকতে শেখাবো।
আজ তোমাকে না খুব মিস করছি, তোমার আওয়াজ বা তোমাকে ভগবান আবার রাতে স্বপ্নে নিয়ে আসুক,কি করবো জিবনে এখনও তুমিই আছো শুধু। তুমি যতই না আমাকে গালি দাও, বকো, threatening দাও, কি করবো এটা সত্যিকারের ভালোবাসা,যেটা জানিনা কোন দিন যাবে কি না।
একটা সম্বন্ধ এসেছিল,ভালো দেখতে,তোমার মত হবে কিন্তু তোমার মত মিষ্টি না,কিন্তু ভালো।তুমি যেমন লাল শাড়ি টা পরে প্রফাইল পিক লাগিয়েছ, খুবই সুন্দর লাগে দেখতে তোমাকে এটাই, কিন্তু যেমন এটাই সেই মিষ্টি হাসিটা থাকেনা। ঠিক তেমনি ওই মেয়েটাও ছিল,মুখে সেই হাসিটা নেই।
রোজ সকালে ঘুম থেকে উঠে ঠাকুর প্রণাম করে তোমাকে খুঁজি ফেসবুক এ, যদি আজ কিছু ভগবান নতুন কিছু দেখিয়ে দেয়। দিনে এই দুই তিন দিনে ৩-৪ বার খুঁজছি,আবার ভগবান কি বলছি, আমার Cindrella আমার সাথে বন্ধুর মতো কথা বলে আবার।
আবার যেন আমরা ভালো বন্ধু হয়ে যাই।
নিজেকে চেঞ্জ করবো ভাবছিলাম,প্রায় এক মাস সকালে উঠলাম,হাঁটতে যেতাম। কিন্তু যেদিন থেকে তুমি আমাকে বললে,যেন একটা আতঙ্কের সৃষ্টি হলো,বাইরে বেরোতে ভয় লাগতো,কখন তারা এসে যায়,কখন কল এসে যায়। সত্যি খুবই ভয় লেগেছিল।
কিছুদিন তো নিচে খাবার খেতে নামতাম বা কোন কল এলে ভয় লাগতো,সেটাতো ওখান থেকে তো কল টা আসেনি।
খাবার খাচ্ছি,একটা রিং, বাবা আমাকে ডাকছে,যেন ভয় একটা বাসা বেঁধে ছিল, যখনই ভয় লাগতো,ঠাকুরকে বলতাম,প্লিজ ও যেন এমন কিছু না করে বসে। বাইরে পুরুলিয়া যাচ্ছি,কিন্তু রাস্তাতেও যেন একটা ভয়।
যেদিন জানো তুমি আমাকে বলেছিলে,ঘরে খেতে নেমেছিলাম, সেদিন প্রথম চুপচাপ খাচ্ছিলাম।বৌদি তো ধরে নিয়েছে কোন হয়েছে, কোন হয়েছে মনে হয়। আমি খাবার সময় কিছু না কিছু বলি,সেদিন না কিছু বলেই খেয়েছি , আমাকে বলছে যা সমস্যা আমাদের কে বলবে,নিজের মধ্যে চেপে রেখোনা। আমি কিছু না বলে আবার উপরে এসে তোমাকে বোঝাচ্ছিলাম কিন্তু তোমার সেই Threatening এ নিজে খুবই ভয় খেয়ে গেছলাম। সত্যি বন্ধু এখনও পুজোর সময় বলি,আমার Cindrella যেন এমন কিছু করে না বসে যার জন্য ওর নিজের পরিবার আমার আরও দুটো পরিবার যেগুলো পরোক্ষ ভাবে যুক্ত আছে,সবার সম্মান যায়। এখনও ঠাকুর কে এটাই বলি।
ভগবান কে বলি, ধন্যবাদ জানায়, তুমি যা করো ভালোর জন্যই করো, আমাকে যারা কাঁদিয়েছে,তোমার নামে fake account বানিয়ে আমার সাথে কথা বলেছে,যাদের জন্য আমাকে এই ১১-১২টা মাস কষ্ট পেতে হলো,ভগবান যেন সবাই একদিন এই কষ্টটা উপলব্ধি করে। তোমার সারা জীবন ভালো চাইলাম,কিন্তু তুমি আমাকে গালি, অপমান, threatening দিয়ে যেন প্রাণ হাসি সব যেন ছিনিয়ে নিলে। কি করবো,ভালোবাসা জিনিসটাই এমন যে আমাকে রোজ কষ্ট দিয়েছে,ভগবান কে বলি তাকে বড় করো,ভালো রেখো কিন্তু একদিন যেন সে আমাকে বুঝে আর আমার কাছে ফিরে আসে।
২ মিনিট কথা,একটু বন্ধুত্বের আবদার ছিল,তার জন্য কত খারাপ কথা শুনতে হলো তোমার কাছ থেকে,যেন মনে করলে চোখ ভিজে যায়,কান যেন ফেটে যায়, ভয়ও যেন আমার সঙ্গী হয়ে উঠেছে।
তুমি যদি একটা চান্স দিতে অনেক কিছু বদলে যেত। কিন্তু তুমি দিলেনা গো।সেটাই দুঃ খ রইলো, সেই জায়গায় তোমার রাগ, ঘৃণা সহ্য করলাম দিনের পর দিন।
রাত ৩টে ১০ বাজছিল আবার লিখতে শুরু করেছিলাম,আবার লিখলাম।ভাবলাম আবার লিখবো কি, কিন্তু সেই ভয় টা আমাকে লিখিয়ে দিল।

Comments
Post a Comment