Aamar Cindrella Aamar Anamika Romantic Photos 2025
তোমার ইনবক্স এ মেসেজ করা মানে মা এর কোলে মাথা রেখে চির শান্তি অনুভব করা👩🎨🌹🍫💖
আজ সকাল সকাল একটা মেসেজ করলাম ফেসবুক এ,
আজ একাউন্ট টাও বানাতে পারলাম।
বিনা টাকা লাগিয়ে বানাতে পারলাম।
কত মন টা শান্ত লাগছিল,
যখন তোমাকে গুড মর্নিং মেসেজ টা লিখি ফেসবুক চ্যাটে।
যেন মনে হয়, ইস্কন টেম্পলের মধ্যে বসে যেমন ঠাকুর কে দেখতাম,
ঠিক তেমনি লাগে যখন তোমার একাউন্ট এ ইনবক্স এ গিয়ে মেসেজ টা লিখি।
খুবই শান্তি অনুভব করি।
কি করবো তুমি তো আমার কাছে দেবী তো,
তাই তো তোমাকে আমি কত রূপে আমি দেখি।
তুমি তো একটা মা এর রূপ,
ছেলেদের যেমন তার মা এর কোলে মাথা রাখলে মন শান্ত হয়,
ঠিক তেমনি তোমার ইনবক্স এ দুটো মেসেজ করে আমি ভালো থাকি।
তুমি তো আমার কাছে সব কিছুই।
তাই তোমার পা ধরে ক্ষমা চাইতে
আমার কখনো খারাপ লাগেনা।
তুমি আমাকে যত ইচ্ছা বকতে পারো,
ভুল করেছি,শাস্তি তো পেতে হবে না।
মা রা তার ছেলেদের বকে ভুল করলেও,
তুমিও বকো যত ইচ্ছা বকো,মেরে নাও,
তাও তোমার ভালোবাসা টা দাও একটু।
তোমার প্রোফাইলে এই লাল শাড়ীটায় আরও যেন মন টা শান্ত করে দেয়।
বলেছিলাম ওই Cindrella আমাকে স্প্যাম বক্সে ভরে দিও,
তাও ব্লক করোনা খুব কষ্ট পাই।
তাও যেন জেদ, ব্লক না করে যেন থাকতে পারো না,
ওই Cindrella তুমি ঠিক করলে।
তুমি কখনো ভুল করতেই পারনা।
আজ কি বানাতে দেবে একাউন্ট ফেসবুক জানিনা,
ফেসবুক যেন বলবে, তুমি কে দাদা,
১০০ টার উপর একাউন্ট বানিয়েও শান্তি নেই আপনার।
হাহা কি বলি অার,আমার বন্ধু কথা বলা শুরু করলেই,
অার আমি বানাবো না একাউন্ট।
যদি পারতো আপনারাই মেসেজ করে বলুন,
ও Cindrella দিদি এই দাদা টার উপর রেগে থাকেন,না,
একটা সুযোগ দিয়ে দেখুন,যখন বলছে কবে থেকে।
ওই দাদাটার ফেসবুক একটিভিটি থেকে জানতে পেরেছি,
ও কোন মেয়ের সাথে কথা বলেনা,
যেরকম আপনার সাথে কথা বলতো।
আপনি ওর ভালো বন্ধু ছিলেন,
তা আপনাদের conversation দেখে বুঝতে পারছি।
ও আপনার মুখে হাসি ফোটাতে নিজেই কেঁদে মেসেঞ্জারে আপলোড করেছে,
একবার বুঝুন ওনা কে।
এরকম পৃথিবীতে মনে হয় কেউ করবেনা,
যেটা এই দাদা টা করলো শুধু আপনার মন জয় করতে।
ও রোজ আপনার ভালো চাই শুধু।
কি আজব ভাবছি, এরকম হলে কত ভালো হতো!
ওই Cindrella তোমাকে খুব মিস করছি গো,
হাত কেটেও একবারও মেসেজে বকলেনা,
ভাবলাম যদি একটু তোমার বকানি শুনতাম,
তাও ভাল লাগতো, না একটা বন্ধু আমাকে একটু হলেও ভালোবাসে,
এখন যদি ওই বন্ধু টাকে বলতাম
যে তোমাকে মেসেজ করে বোঝাতে গেছলো,
তাহলে প্রথমে তো মন ভরে গালি দিত আমায়,
বকানিত আলাদা খেতাম।
তারপর বোঝাতো ধীরে ধীরে।
বলতো তোর মা কে ফোন করে বলছি,
তোর এই মাসে বিয়ে দিয়ে দেক,
নাহলে তোমার ছেলে কি করবে কে জানে!😅😅😅
এখন যদি আবার বাঙালি গ্রুপে ওই দাদাদেরকে বলতাম তো,
ওরা বলতো তুই সামনে আয় ,
তোকে প্রথমে মেরে নিই,
তুই কি ভেবেছিস নিজেকে,
তুই কি সুশান্ত সিং রাজপুত যে তোর জন্য
পৃথিবীর সব মেয়েরা তোকে মনে করবে দিনের পর দিন,
এসব পাগলামি করিস না,
তার পর যদি ওই দাদা টা ভুল করে অন্য কাউকে বলেদিত,
তাহলে বাঙালি গ্রুপ কি পুরো ব্যাঙ্গালোরের
সবাই জেনে হ কে হাওড়া বানিয়ে ছাড়তো।
তাই কোন ব্যাঙ্গালোরের বাঙালি বন্ধুর সাথে ফোনে কথা বলিনি,
না ফোন ধরেছি।
একদিন একটা বন্ধু কল করেছিল,আমি ধরিনি।
এখন নিজেকে ঠিক করি প্রথমে।
তোমার মত দেখতে মেয়ে কোথায় অার পাই,
ভাবছি Search through Google Image এ দেখি,
যদি ওর দ্বারা তোমার মত কোন যদি থাকে এই পৃথিবীতে,
যে দেশেই থাকুক না কেন😅😅😅,
নিয়ে আসবো আমার কাছে।
শুনেছি পৃথিবীতে ৫টা একই রকমের দেখতে মানুষ রয়েছে,
তাহলে কোথাও খুঁজে পাবই তোমার মতই একজন কে।
যা ইচ্ছে ভেবে নিই না, হাত কেটে ফেলছি,
তোমাকে মেসেজ না করে থাকছি না,
রোজ ৬-৮ ঘণ্টা এই ব্লগের পেছনে সময় যাচ্ছে।
না লিখলে আরও কিছু করে ফেলবো।
তাই লিখছি, জানি সময় যাচ্ছে, কাজ হবে অনেক,
কিন্তু কাজের জন্য মন চাই,
সেই মন টা তোমার কাছে চলে গেছে।
এই যা এখন ওই মেসেজ টা দেখতে যাচ্ছিলাম,
দেখি কি, page টা redirect হয়ে এর,
Your Account Has Been Disabled.
হা হা হা ভালই হলো,তুমি ব্লক মারলে,
অার ফেসবুক ও দিল মেরে 😄😃😀।
ভাবছি ফেসবুক কে থ্যাঙ্কস বলি,
তুমি তো দেখতে পেলে তো Good Morning Wish টা,
অার কি চাই,এইটাই চাইতাম।
তুমি ব্লক মারলে তাই মনে হয়
ফেসবুক ভাবলো কোন ভুল কাজ করছে,
লে উরিয়ে দে এর একাউন্ট টা কে।
দিল তাই উরিয়ে একাউন্ট টাকে।
বেশ ভালই করল মনে হয়।
ব্লক টা দেখলেই যেন মনটা ব্লক হয়ে যায়,
অার চোখ থেকে জল অটোমেটিক বেরিয়ে যায়।
কি করবো আমি শুনলাম আমার রাশিটা খুব দূর্বল রাশি,
তাই এই রাশিটা যাকে ভালবেসে,
তাকে শুধু ভালোবাসতেই জানে,
সে যদি কষ্ট দেয় তো চোখ ভিজে যায়।
কাল আবার দেখলাম ঠিক ওই স্বপ্নটা,
মা হনুমান চালিশা টা বিছানার নিচে রাখলো,
যাতে এরকম স্বপ্ন না আসে,
তাও আবার ওই দুস্বপ্ন টা দেখলাম,
মনে হলো পাশে শুয়ে আছে কেউ,
তার পর যেন আমার উপর চাদর বালিশ দিয়ে মুখটা টিপার চেষ্টা করছে,
যেন মুখ থেকে শ্বাস না বেরোয়।
কাল তাও যেই ওই স্বপ্নের গভীরে ঢুকছিলাম,
কোন মতে ৫-১০ মিনিটের মধ্যে বেরোতে সক্ষম হয়ে ছিলাম।
ভয় লাগেনা আমার,
পুরো অফিস এ আগে একা থাকতাম,
আগে মা বাবা জানতো না যে সারা রাত অফিসে বসে কাজ করতাম।
এবারে যখন এলাম তখন বললাম,
তো বলছে, পাগল কি সারা রাত একা অফিস টায় থাকতে হয়,
আমি বলতাম ভয় লাগেনা আমার মা।
আমি যখন আসানসোল গেছলাম BCA করতে,
তখন একটা প্রাইভেট হোস্টেলে ছিলাম,
ওরা আমাকে একটা রুম দিয়েছিল,
জানতাম না ওই রুমে ওই রুমের মালিকের বউ
গলায় দড়ি নিয়ে ওই ঘরের মধ্যেই আত্মহত্যা করেছে,
তাই দু তিন দিন যেন কিছু মনে হতো,
কোন আওয়াজ শুনতে পেতাম রাতের বেলায় ঘরটার মধ্যে।
একদিন আরেকটা ঘর ছিল,
ওখানে দু চারটে দাদার কাছ থেকে জানতে পারলাম,
যে ওখানে এরকম হয়েছে,
অার তিনটা ছেলে যারা থাকতো,
ওরা বলেছে ওরা একটা বউ কে রাতে ঘরের মধ্যে ঘুরতে দেখতো।
হাহা কি ভয়ঙ্কর ছিল,শুনেই গায়ের লোম দাড়িয়ে যাবে।
কিন্তু তার পর সেখান থেকে ওই বড় বিল্ডিংএ জিনিস পত্র নিয়ে শিফট হলাম।
ওখানে কিছু ছিলনা।
কিন্তু কখনো কখনো পুরো হোস্টেলে কেউ থাকতো না,
আমি একা পুরো building এ থাকতাম,
তাই ভয় জিনিস টা উরে গেছে।
হুম্ অনেক উচু থেকে নিচে দেখার সময় ভয় লাগে,
নাগরদোলা তে আগে ভয় লাগতো,
একবার প্রথমবার চেপে ছিলাম নাগরদোলায়,
অার নাগরদোলা খারাপ হয়ে গেছে।
আমি পুরো আসানসোল দেখতে পাচ্ছি উপর থেকে বসে,
নিচের দিকে তাকাতে ভয় লাগছিল।
প্রায় ৪৫-৫০ মিনিট এরকম উপরে বসে ছিলাম।
তার পর নাগরদোলা ঠিক করা হলো,
অার নামলাম,বাব্বা সত্যি মনে থাকবে ঘটনা গুলো।
জানো লিখার সময় কথা পাইনা,
কিন্তু যখনি লিখতে শুরু করি,
রোজ ৫-৬ পাতা লিখে দিই।
চলো সন্ধ্যা হোয়েছে মা ডাকছে,
যাই একটু চা খাই, দোকানে বসি।
৪৩৪ টা ভিডিওর কথা দেখি আবার রাতে লিখবো,
না হলে একটা গান বানাবো।
ভালো থেকো,সুস্থ্য থেকো।
#dream #MyDevi #mylife #mother #son #facebook #inbox #love #Motherlap #maa #ghost #throwback

Comments
Post a Comment