Aamar Cindrella Aamar Anamika Romantic Photos 2025
যখন মন ভালো থাকেনা,
তখন কোন কিছু ঠিক হয়না।
দিদি বলছে সবাই দেখ কত এগিয়ে গেল,
আর তুই সেই জায়গাতে আছিস পড়ে।
এভাবে কি করে চলবে তোর,
কাজের মধ্যেও সমস্যা দেখা দিচ্ছে,
কিছু করতে ইচ্ছে হচ্ছেনা।
শুধু ২ মিনিট তোমার সাথে কথা বলতাম,
আমি সব ঠিক করে নিতাম।
কেন তুমি ২৫মে র পর চলে গেলে,
আমরা তো একটা ভালো বন্ধুর মত কথা বলছিলাম না,
তোমাকে আমি কিছু বলিনি তো,
তাহলে কেন এভাবে দেখা দিয়ে চলে গেলে গো।
মন একটুও ভালো নেই গো,
ও Cindrella দেখনা তোমার বন্ধুটা লিখতে বসে,
অার বালিশ ভিজিয়ে নেয়।
কত কাজ আছে তাও নেট বন্ধ করে লিখতে থাকি,
কারন কেউ মেসেজ করতে পারবেনা।
ও Cindrella রেগনা আমার উপর,
১০ মাস ১০ দিন ধরে শাস্তি দিলে তো,
একটা বন্ধুর চোখের জলের রেকর্ড ও শুনলে,
তাও কি ভাবছো ছেলেটা কি অ্যাক্টিং করছে,
কেউ তোমাকে আধ ঘন্টা এক ঘন্টা করে মেসেজে ইউটিউবে বানিয়ে শুনাবে নিজের চোখের জল,
ও আমার মিষ্টি বন্ধু হয়েছে তো অার কতদিন এভাবে চোখ আমার ভেজাবে,
কিছু ভালো লাগছেনা গো।
কিভাবে বুঝবে তুমি গো।
ম্যানেজার টা বলছে, আপনার কি হয়েছে,
আপনি কোন কাজেই করছেন না।
কি করবো কাকে বলবো,
মনের এই অসুখ।
এই কষ্ট আমার বুকের মধ্যে থাকুক।
ও অনামিকা পারছিনা তোমাকে ভুলতে গো,
চেষ্টা করলেও ভগবান আমাকে,
চোখের সামনে নিয়ে আসে।
মাথাটা ধরে গেছে এত চাপে,
জানি নিজেই নিজেকে চাপ দিচ্ছি,
কিন্তু কি করবো ভুলতে যে যায়না পারা।
ও বন্ধু কথা বলো একটু,
রাগ করোনা আমার উপর।
ভিক্ষা চাই তোমার বন্ধুত্ব কে,
ফিরিয়ে দাওনা এবার।
খুব ব্যাথা করছে মাথাটা,
যেন বাজ মাথার উপর পড়ে গেছে।
জানিনা কি লিখছি,
ভালো থেকো তুমি বন্ধু।
ফিরে এসো বন্ধু,
অার এই বন্ধু টার চোখ ভেজাও না গো,
খেতে খেতে চোখ থেকে জল বেরিয়ে গেল,
ভাবছিলাম দুটো মর্নিং উইশ জানিয়েও কেউ ব্লক মারতে পারে?
শুধু মেসেজ করতাম Tiktok একাউন্ট টা খুলে নাও,
আবার করো বন্ধু , এটাও কি আমার অপরাধ।
আজ চোখ যেন লাল হয়ে গেল।
কিভাবে তোমাকে বোঝাবো বন্ধু।
তোমার কি খাবার সময় মনে পড়েনা,
বন্ধুটা আগে বলতো তোমাকে,
খাবার খাও সময় মত,
এত সারাদিন বাসে দাড়িয়ে দাড়িয়ে এখান থেকে ওখানে টিউশন স্কুল করতে,
কত কষ্ট করে কিছু টাকা রোজ করে সেটারও কিছু একটা ঘরে পাঠাতে,
তুমি যদি না খাও খাবার তাহলে কি করে কাজ করবে।
তুমি বলতে তুমি আমার দাদার মত,
শুধু আমাকে বলে, খাবার খেলি,এখনো কিছু খাস নি,যা কিছু খেয়ে নে,
শরীর খারাপ এর সময় কল করে বলতো,
ওষুধ নিয়ে এলে,ডাক্তারের কাছে যাবো নিয়ে তোমাকে,
তুমি বলতে কিছু খাবোনা,কিন্তু বলতাম, খেয়ে নাও, এভাবে খালি পেতে ওষুধ খাওনা।
তোমার গলা পুরো ধরে থাকতো।
ওই বন্ধু ইচ্ছে হয় না,
একবার এই বন্ধুর চোখের জল টা মুছে,
একটু বন্ধুর মতো কথা বলি।
অার তো সে কিছু চাইনা ২ মিনিট রোজ কথা বলা ছাড়া।
৮ টা থেকে লিখছি যেন শেষ হচ্ছেনা
কত কথা বলে ফেলি,
জানিনা ভগবান তোমাকে এই পোস্ট টা দেখাবে কি না!
তখন কোন কিছু ঠিক হয়না।
দিদি বলছে সবাই দেখ কত এগিয়ে গেল,
আর তুই সেই জায়গাতে আছিস পড়ে।
এভাবে কি করে চলবে তোর,
কাজের মধ্যেও সমস্যা দেখা দিচ্ছে,
কিছু করতে ইচ্ছে হচ্ছেনা।
শুধু ২ মিনিট তোমার সাথে কথা বলতাম,
আমি সব ঠিক করে নিতাম।
কেন তুমি ২৫মে র পর চলে গেলে,
আমরা তো একটা ভালো বন্ধুর মত কথা বলছিলাম না,
তোমাকে আমি কিছু বলিনি তো,
তাহলে কেন এভাবে দেখা দিয়ে চলে গেলে গো।
মন একটুও ভালো নেই গো,
ও Cindrella দেখনা তোমার বন্ধুটা লিখতে বসে,
অার বালিশ ভিজিয়ে নেয়।
কত কাজ আছে তাও নেট বন্ধ করে লিখতে থাকি,
কারন কেউ মেসেজ করতে পারবেনা।
ও Cindrella রেগনা আমার উপর,
১০ মাস ১০ দিন ধরে শাস্তি দিলে তো,
একটা বন্ধুর চোখের জলের রেকর্ড ও শুনলে,
তাও কি ভাবছো ছেলেটা কি অ্যাক্টিং করছে,
কেউ তোমাকে আধ ঘন্টা এক ঘন্টা করে মেসেজে ইউটিউবে বানিয়ে শুনাবে নিজের চোখের জল,
ও আমার মিষ্টি বন্ধু হয়েছে তো অার কতদিন এভাবে চোখ আমার ভেজাবে,
কিছু ভালো লাগছেনা গো।
কিভাবে বুঝবে তুমি গো।
ম্যানেজার টা বলছে, আপনার কি হয়েছে,
আপনি কোন কাজেই করছেন না।
কি করবো কাকে বলবো,
মনের এই অসুখ।
এই কষ্ট আমার বুকের মধ্যে থাকুক।
ও অনামিকা পারছিনা তোমাকে ভুলতে গো,
চেষ্টা করলেও ভগবান আমাকে,
চোখের সামনে নিয়ে আসে।
মাথাটা ধরে গেছে এত চাপে,
জানি নিজেই নিজেকে চাপ দিচ্ছি,
কিন্তু কি করবো ভুলতে যে যায়না পারা।
ও বন্ধু কথা বলো একটু,
রাগ করোনা আমার উপর।
ভিক্ষা চাই তোমার বন্ধুত্ব কে,
ফিরিয়ে দাওনা এবার।
খুব ব্যাথা করছে মাথাটা,
যেন বাজ মাথার উপর পড়ে গেছে।
জানিনা কি লিখছি,
ভালো থেকো তুমি বন্ধু।
ফিরে এসো বন্ধু,
অার এই বন্ধু টার চোখ ভেজাও না গো,
খেতে খেতে চোখ থেকে জল বেরিয়ে গেল,
ভাবছিলাম দুটো মর্নিং উইশ জানিয়েও কেউ ব্লক মারতে পারে?
শুধু মেসেজ করতাম Tiktok একাউন্ট টা খুলে নাও,
আবার করো বন্ধু , এটাও কি আমার অপরাধ।
আজ চোখ যেন লাল হয়ে গেল।
কিভাবে তোমাকে বোঝাবো বন্ধু।
তোমার কি খাবার সময় মনে পড়েনা,
বন্ধুটা আগে বলতো তোমাকে,
খাবার খাও সময় মত,
এত সারাদিন বাসে দাড়িয়ে দাড়িয়ে এখান থেকে ওখানে টিউশন স্কুল করতে,
কত কষ্ট করে কিছু টাকা রোজ করে সেটারও কিছু একটা ঘরে পাঠাতে,
তুমি যদি না খাও খাবার তাহলে কি করে কাজ করবে।
তুমি বলতে তুমি আমার দাদার মত,
শুধু আমাকে বলে, খাবার খেলি,এখনো কিছু খাস নি,যা কিছু খেয়ে নে,
শরীর খারাপ এর সময় কল করে বলতো,
ওষুধ নিয়ে এলে,ডাক্তারের কাছে যাবো নিয়ে তোমাকে,
তুমি বলতে কিছু খাবোনা,কিন্তু বলতাম, খেয়ে নাও, এভাবে খালি পেতে ওষুধ খাওনা।
তোমার গলা পুরো ধরে থাকতো।
ওই বন্ধু ইচ্ছে হয় না,
একবার এই বন্ধুর চোখের জল টা মুছে,
একটু বন্ধুর মতো কথা বলি।
অার তো সে কিছু চাইনা ২ মিনিট রোজ কথা বলা ছাড়া।
৮ টা থেকে লিখছি যেন শেষ হচ্ছেনা
কত কথা বলে ফেলি,
জানিনা ভগবান তোমাকে এই পোস্ট টা দেখাবে কি না!
Comments
Post a Comment