Aamar Cindrella Aamar Anamika Romantic Photos 2025
![]() |
| 2020 Corona Amphan Men's lives |
২০২০ করোনা🦠, আম্ফান⛈️🌀🌦️ আর আমাদের জিবন👨👩👧👦
আজ কিছু লিখতে ইচ্ছে হচ্ছিল,
কিন্তু জানিনা কি লিখবো।
আজ মনটা খারাপ ২০২০ সালটা
জিবনে কোন দিন ভুলবোনা।
আমরা আমাদের ছেলে মেয়েকে একদিন বলবো,
যে আমরা বিশ্ব যুদ্ধে যোগদান করেছিলাম,
না বন্দুক, কামান নিয়ে নয়,
আমরা ভাইরাসের সাথে লড়াই করেছিলাম।
টিভিটে যেমন কাল্পনিক মুভিতে দেখাতো,
রাস্তা ঘাট ফাঁকা, সবাই মুখে মাস্ক নিয়ে ঘুরছে,
হাজার হাজার মানুষ হসপিটালে আসছে,
বেড নেই খালি, কান্না কাটি করছে,
ঘর থেকে ভাইরাসে আক্রান্তদের তুলে নিয়ে যাচ্ছে,
আজ চোখের সামনে দেখলাম।
খুবই খারাপ লাগলো।
চায়না সব ঠিক হয়েও আবার ওখানে,
লকদাউন নেমেছে,
কি হবে আমাদের ধরিত্রী মা এর?
ঘরে বন্দি থেকে খেতে পারছেনা হাজার হাজার গরীব মানুষরা,
কি হবে এই দেশের?
তার সাথে আবার আম্ফান ঝড়,
কলকাতা পুরুলিয়া উত্তর দক্ষিণ চব্বিশ পরগনা ওরিষাতে,
যেখানে মাটির চালের ঘর,
ওখানে মাটির ঘর গুলো যেন উড়ছে,
কত মানুষ মরল এই ঝড়ে।
এই রুদ্র আমফান রাক্ষস তাণ্ডব লীলা
গরীব মানুষদেরকে যেন বাঁচতে দিচ্ছেনা।
করোনার সাথে এই রুদ্র রাক্ষস আম্ফান,
যেন মুছে ফেলছে পৃথিবী থেকে গরীব মানুষদের নিশান।
ভারত রাশিয়া চীন এত উন্নত দেশ গুলো,
এত উন্নত টেকনোলজি বানাচ্ছে,
কিন্তু তাও যেন সবাই প্রকৃতির কাছে মাথা নত করে রয়েছে।
কবে আমরা এমন কিছু বানাতে পারবো,
যার দ্বারা কোন ভাইরাস হোক বা কোন ঝড় হোক,
আমাদের গরীব মানুষদের জিবনকে যেন ছিনিয়ে না নেয়।
আমরা নিজেদের উন্নত বলবো,
যখন আমরা গরীব মানুষদের চোখের জল মুছে ফেলতে সক্ষম হবো।
মধ্যবিত্ত মানুষেরা কিছু করে নিজেদেরকে বাঁচাতে সক্ষম,
কিন্তু যারা দিন আনে দিন খায়,
তাদের কি হবে?
তারা দুবেলা খাবার খেতেও পাচ্ছেনা,
মা বাবারা নিজেরা না খেয়ে,
তাদের সন্তানদের খাওয়াচ্ছে।
কিন্তু কতদিন ওরাই না খেয়ে বেঁচে থাকবে।
আমি জানিনা অন্যদের মনোভাব কি,
কিন্তু আমার ভালো লাগেনা,
গরীব মানুষেরা অনাহারে মরুক।
আমি যাই বা কামায় না কেন প্রতি মাসে আমি প্রায় ৫-২০ হাজার টাকা
শুধু এদের জন্য রাখবো।
অার পিএম ফান্ড এও দেবনা,
পি এম ফান্ডেও টাকাটা গরিবদের মানুষদের কাছে পৌঁছায় না,
আগের মাসের ১০ হাজার টাকা PM Fund এ দিয়ে যেন মারাত্মক ভুল করেছি।
আমি নিজে গিয়ে ওদের মুখে খাবার পুরে দেব এবার থেকে।
আমি জানিনা কতটা পারবো,
কিন্তু আমি ভগবানকে বিশ্বাস করি।
সাইন্টিস্টরাও তাদের কোন কিছু বানানোর আগে,
নারকেল ফাটিয়ে পুজো করে,
তারপরই সেটাকে লঞ্ছ করে।
কারন জানে,ভগবানকে খুশি করতে পারলে,
ভগবান তাকে কোন দিনও হাত খালি করবেনা।
আমি ছোট্ট একটা কোম্পানি খুলে সামান্য একটা কামাচ্ছি,
তাও এই লকদাউনের বাজারে নিজে লসে যাচ্ছি,
কিন্তু তাও কাউকে বিনা কারনে বের করিনি,
বরং তার জায়গায় তাদেরকে বুঝিয়ে কাজ গুলো পূর্ণ করার চেষ্টা করেছি,
অার যাতে তাদের মন লাগে কাজে,
তাই তাদের কে referral bonus দেওয়ারও ব্যবস্থা করেছি।
জানি এখন ছোট্ট জায়গাতে আছে,
কিন্তু তারা তো বুঝবে,
যেখানে বড় কোম্পানিগুলো তাদের হাজার হাজার মানুষকে ছাটাই করেছে,
সেখানে কিন্তু এই কোম্পানির বস আমাদের বের করে দেয়নি।
বরং চেষ্টা করছে,আমরা কি করে বেশি কামাতে পারি।
জানিনা কি লিখতে বসেছিলাম,
অার কি লিখে ফেললাম,
কিন্তু আমি ভাবি যদি তুমি অন্যের উপকার করছ তো,
একদিন ভগবান তোমাকেও সাহায্য করবে,
তোমার স্বপ্নকে বাস্তবায়িত করতে।
জানিনা সবারকার ভাবনা কি,
কিন্তু আমি এরকমই ভাবি।
সব সময় নিজের নিয়ে থাকলে,
কোন দিনও দেশের উন্নতি সম্ভব নয়।
আমাদের সবার কার উচিৎ যতটাই বা কামাচ্ছিনা কেন,
যদি আমরা আমাদের সামনের গরীব মানুষদের কিছু করে সাহায্য করতে পারি,
তো মনে হয় ভগবান খুশি হবে,
অার আমাদেরকে সাহায্য করবে,
নিজেদের স্বপ্ন পূর্ণ করতে একদিন।
জানিনা মা দুর্গা এবারে করোনা কে সাথে নিয়ে বাপের বাড়ি আসবে,
না করোনা ভাইরাস কে নিধন করে,
আমাদের সবার কার জিবনে হাসি ফুটিয়ে এখানে আসবে।
সব কিছু মা ই জানেন।।
আজ এখানেই কলমের নিপ ভাংলাম।
#2020 #corona #amphan #unpriviledged #donation #joy #durgamaa #lockdown #pmfund

Comments
Post a Comment